৫০০ কোটি বছর পরে কীভাবে বাঁচবে পৃথিবী! বিজ্ঞানীদের এই চমকপ্রদ পরিকল্পনা জানলে চোখ কপালে উঠবে

৫০০ কোটি বছর পরে কীভাবে বাঁচবে পৃথিবী! বিজ্ঞানীদের এই চমকপ্রদ পরিকল্পনা জানলে চোখ কপালে উঠবে

জ্বালানি ফুরিয়ে একসময় লাল দৈত্যে পরিণত হবে সূর্য এবং তার প্রবল তাপে ধ্বংস হতে পারে আমাদের গ্রহ। তবে অন্য গ্রহে পাড়ি না দিয়ে পৃথিবীকেই বাঁচিয়ে রাখার এক অভিনব বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, সূর্য ও পৃথিবীর মহাকর্ষীয় ভারসাম্য বিন্দু অর্থাৎ ‘ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট ১’-এ একটি বিশাল সানশেড বা ছাতা বসিয়ে সূর্যের তীব্র তাপ প্রতিহত করা সম্ভব। চাঁদের কক্ষপথের বাইরে স্থাপিত প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এই সানশেড তৈরিতে চাঁদের অ্যালুমিনিয়াম ও বামন গ্রহ সেরেসের কার্বন টিথার ব্যবহার করা যেতে পারে।

সূর্যের আলো ফুরিয়ে গেলে পৃথিবীর অভ্যন্তরে আলো ও তাপের জোগান বজায় রাখতে সৌরজগতের গ্যাসীয় গ্রহগুলোর সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবছেন গবেষকরা। বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে ভাসমান ফিউশন রিঅ্যাক্টরের মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন করে তা পৃথিবীতে পাঠানো সম্ভব। এছাড়া পৃথিবীর কক্ষপথ পরিবর্তন করতে গ্রহাণুর ব্যবহার কিংবা বৃহস্পতি থেকে অক্সিজেন আহরণ করে কণারশ্মি ছুড়ে মারার মতো রোমাঞ্চকর পদ্ধতি বাতলেছেন বিজ্ঞানীরা। অদূর ভবিষ্যতে নয়, সুদূর মহাকাশের এই সুদীর্ঘ লড়াইয়ের প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করে দিয়েছেন গবেষকেরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *