বিজেপির নতুন সরকারি প্রকল্প: কোনোটার আয়ের সীমা ২.৫ লাখ, কোনোটার ৮ লাখ! জেনে নিন আপনি যোগ্য কি না
August 11, 202610:20 am

রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেই বেশ কিছু নতুন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালু করেছে। পূর্ববর্তী মমতা ব্যানার্জি সরকারের আমলে চালু থাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, কিংবা বিধবা ও বার্ধক্য ভাতার মতো প্রকল্পগুলোর বেশ কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনে চালু করা হয়েছে নতুন সব স্কিম—যেমন আয়ুষ্মান ভারত, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, যুবশক্তি ভরসা যোজনা, এবং কন্যারত্ন। তবে সব সরকারি প্রকল্পের সুবিধা কিন্তু সবাই পাবেন না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর যোগ্যতার মূল মাপকাঠি হলো তাঁদের পারিবারিক বার্ষিক আয়।
কোন প্রকল্পে আয়ের সীমা কত নির্ধারণ করা হয়েছে, তা একনজরে দেখে নিন:
- স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ: উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের মেধাবী পড়ুয়াদের জন্য এই স্কলারশিপ চালু রাখা হয়েছে। এতে প্রতি মাসে ১,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা মেলে। তবে এই সুবিধার জন্য পরিবারের বার্ষিক আয় সর্বোচ্চ ২.৫ লক্ষ টাকার মধ্যে হতে হবে।
- যুবশক্তি ভরসা যোজনা: রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের স্বাবলম্বী করতে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এই স্কিমে আবেদন করার জন্যও পারিবারিক বার্ষিক আয়ের সীমা ২.৫ লক্ষ টাকা।
- আয়ুষ্মান ভারত: বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা দিতে দেশে বহুল প্রচলিত এই স্বাস্থ্য কার্ড রাজ্যেও চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কার্ডের সুবিধাপ্রাপ্তির জন্যও পারিবারিক বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার বেশি হওয়া চলবে না।
- মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা: যাঁরা আয়ের মানদণ্ডের কারণে আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় আসবেন না, তাঁদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা এটি। এক্ষেত্রে পারিবারিক বার্ষিক আয়ের ঊর্ধ্বসীমা রাখা হয়েছে ৮ লক্ষ টাকা।
- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার এবং বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা: নতুন আমলে বার্ধক্য ও বিধবা ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে ১,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি চালু হয়েছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। এই ভাতাগুলোর জন্য নির্দিষ্ট কোনো আয়ের সীমা স্পষ্ট করা না হলেও শর্ত দেওয়া হয়েছে—পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি চাকরিজীবী, আয়করদাতা বা সরকারি পেনশনভোগী হলে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে না।