বিচারপতির শূন্য আসন আর পাহাড়প্রমাণ বকেয়া মামলা, কবে মিলবে বিচার?

দেশের বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালে পাহাড়প্রমাণ বকেয়া মামলার জট কাটছে না কিছুতেই। এনসিএলটি থেকে শুরু করে ডিআরটি—সর্বত্রই বিচারাধীন মামলার সংখ্যা লক্ষাধিক। উদাহরণস্বরূপ, এভিজে হাইট্স-এর ফ্ল্যাট মালিকরা একটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় দুই বছর ধরে। এই তীব্র সংকটের মূলে রয়েছে বিচারক ও সদস্যদের বহু শূন্য আসন। চাকরির আকর্ষণহীন শর্তাবলি এবং অনিশ্চিত মেয়াদের কারণে যোগ্য ব্যক্তিরা এই পদগুলোতে আসতে চান না। ফলে কোরামের অভাবে আটকে থাকছে শুনানি, আর দীর্ঘ হচ্ছে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তাবিত ‘ট্রাইব্যুনালস রিফর্মস বিল, ২০২৬’ বেশ কিছু যুগান্তকারী পরিবর্তনের রূপরেখা দিয়েছে। এতে চাকরির নির্দিষ্ট মেয়াদ, অবসরের বয়সসীমা এবং ‘ন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল কমিশন’-এর অধীনে একটি স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিচার বিভাগের প্রাধান্য বজায় রেখে যোগ্য ব্যক্তি বাছাইয়ের এই স্থায়ী ব্যবস্থা কার্যকর হলে বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিখুঁত পরিকাঠামো ও নিয়মিত পদ পূরণের মাধ্যমেই কেবল ট্রাইব্যুনালগুলোকে কাঙ্ক্ষিত গতিশীল করে তোলা সম্ভব।