মোসাদের গোপন তথ্যে রক্ষে! ট্রাম্পকে উড়িয়ে দেওয়ার ইরানি ছক পণ্ড

ন্যাটো সম্মেলন শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার ছক কষেছিল ইরান—এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্যে শোরগোল পড়ে গেছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে। তবে ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ‘মোসাদ’-এর তৎপরতায় শেষ মুহূর্তে এড়ানো গেছে বড়সড় বিপদ। কীভাবে সম্ভব হলো এই উদ্ধার অভিযান?
ইজরায়েল ও মার্কিন সূত্রের দাবি, গত ন্যাটো সম্মেলন শেষে ট্রাম্প যখন তুরস্কের আঙ্কারা থেকে ওয়াশিংটন ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই তাঁকে সতর্ক করে ইজরায়েল। তেহরানের পরিকল্পনা ছিল, আকাশে ওড়ার পর ট্রাম্পের বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তাঁকে হত্যা করা।
তবে ইরানি সরকারের ভেতরেরই কোনো সূত্র থেকে এই হামলার পুরো নীল নকশা পৌঁছে যায় ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হাতে। সময় নষ্ট না করে মোসাদ সঙ্গে সঙ্গে সেই গোপন খবর মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসকে জানিয়ে দেয়।
খবর পেয়েই নিরাপত্তার স্বার্থে বদলে ফেলা হয় ট্রাম্পের যাতায়াতের পুরো পথ ও বিমান:
- নাটকীয় কৌশল: ক্যামেরার সামনে দেখানো হয় যে ট্রাম্প আঙ্কারায় কাতার রাজপরিবারের উপহার দেওয়া বিমানে না উঠে, তাঁর পুরনো ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ উঠছেন।
- গোপন স্থানান্তর: বিমানে ওঠার পরপরই সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে অত্যন্ত গোপনে তাঁকে সেখান থেকে নামিয়ে আনা হয়।
- খাবারের গাড়িতে ছদ্মবেশ: সিক্রেট সার্ভিসের কর্মীরা ট্রাম্পকে একটি সাধারণ খাবারের গাড়িতে বসিয়ে বিমানবন্দরের অন্য প্রান্তে নিয়ে যান।
- নিরাপদ যাত্রা: সেখানে অপেক্ষায় থাকা তুলনামূলক ছোট একটি ‘সি-৩২এ’ সামরিক বিমানে চাপিয়ে ট্রাম্পকে নিরাপদে ওয়াশিংটনে ফিরিয়ে আনা হয়।
উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই মার্কিন-ইজরায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সুপ্রিম লিডার খামেনেই নিহত হয়েছিলেন। সেই প্রতিশোধ নিতেই ট্রাম্পকে নিশানা করেছিল তেহরান, যা ইজরায়েলি গোয়েন্দাদের দক্ষতায় এবার ভেস্তে গেল।