সংখ্যালঘু উদ্যোক্তাদের জন্য বড় খবর: এবার স্থায়ী বাজার ও ই-কমার্সে বাজিমাত করবে ‘শিল্প কুঞ্জ’

রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শিল্পী ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তৈরি পণ্যের জন্য এক স্থায়ী বাজারের সূচনা করল রাজ্য সরকার। সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও বিত্ত নিগম (WBMDFC) বিধাননগরের অমর ভবনে চালু করেছে ‘শিল্প কুঞ্জ’।
দপ্তরের মন্ত্রী শ্রী ক্ষুদিরাম টুডুর হাতে এই কেন্দ্রটির শুভ উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতি মন্ত্রী শ্রী বিশাল লামা, দপ্তরের প্রধান সচিব ড. পি বি সেলিমসহ বেশ কয়েকজন পদস্থ আধিকারিক।
কী কী সুবিধা মিলবে ‘শিল্প কুঞ্জ’ থেকে?
- স্থায়ী বাজারের সুযোগ: এতদিন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মেলা বা অস্থায়ী প্রদর্শনীর ওপর ভরসা করতে হতো। এখন থেকে তাঁরা অমর ভবনে নিজেদের তৈরি পণ্য সরাসরি বিক্রি করার স্থায়ী সুযোগ পাবেন।
- অনলাইন বিক্রি ও ই-কমার্স: শুধু সরাসরি বিক্রিই নয়, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এই পণ্যগুলোকে বড় বাজারের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- মহিলাদের স্বনির্ভরতা: বিশেষ করে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর নারীদের তৈরি সামগ্রী বিশ্বমঞ্চে ও সাধারণ ক্রেতাদের কাছে সরাসরি তুলে ধরতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, এর আগে নিউটাউনের নজরুলতীর্থে ‘শিল্প কুঞ্জ’-এর প্রথম বিপণন কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছিল, যেখানে ইতিমধ্যেই অনেকে সাফল্য পেয়েছেন। বিধাননগরের এই নতুন কেন্দ্রটি রাজ্যের সংখ্যালঘু উদ্যোক্তাদের আর্থিক দিক থেকে আরও শক্তিশালী এবং স্বাবলম্বী করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।