‘টয়লেটে গেলে বমি পায়!’ মেডিক্যাল হস্টেলের নোংরা পরিবেশ ও দুর্নীতি নিয়ে চরম ক্ষোভ, মিলল আশ্বাস

‘টয়লেটে গেলে বমি পায়!’ মেডিক্যাল হস্টেলের নোংরা পরিবেশ ও দুর্নীতি নিয়ে চরম ক্ষোভ, মিলল আশ্বাস

রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলির হস্টেলে দীর্ঘদিনের অবৈধ দখলদারি, অনিয়ম এবং নেশার আসর বসানোর অভিযোগ নিয়ে সোচ্চার হলো রাষ্ট্রবাদী চিকিৎসক সংগঠন (এনএমও)। সদ্য ভরতি হওয়া জুনিয়র পড়ুয়াদের ভোগান্তি দূর করতে সংগঠনটি স্বাস্থ্যভবনে ডিরেক্টর অব মেডিক্যাল এডুকেশন (ডিএমই) ডা. ইন্দ্রজিৎ সাহার কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে।

প্রধান অভিযোগ ও সমস্যাসমূহ:

  • অবৈধ দখলদারি: পড়ালেখা শেষ করে ৫ থেকে ১০ বছর আগে বেরিয়ে যাওয়া প্রাক্তনীরা এখনও বেআইনিভাবে হস্টেলের ঘর দখল করে রেখেছেন। ফলে গরিব ও মেধাবী জুনিয়র ছাত্রছাত্রীরা থাকার জায়গা পাচ্ছেন না।
  • দালালরাজ ও দুর্নীতি: কলেজ কর্তৃপক্ষ নতুনদের নামে ঘর বরাদ্দ করলেও বাস্তবে জুনিয়ররা গিয়ে দেখছেন ঘর অন্য কারো দখলে। বাধ্য হয়ে তাঁদের প্রভাবশালী সিনিয়র বা ‘দাদা-দিদি’দের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে, যা থেকেই দুর্নীতির সূচনা।
  • নর্দমাসম পরিবেশ: সাফাইকর্মীর অভাবে হস্টেলগুলি ময়লার স্তূপে পরিণত হয়েছে। শৌচাগারগুলির অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে সেখানে যাওয়া দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দাবি ও আশ্বাস: চিকিৎসক সংগঠনের দাবি, হস্টেলের রুম বরাদ্দের দায়িত্ব পুরোপুরি কলেজ কর্তৃপক্ষের হাতে রাখতে হবে এবং এতে কোনো ছাত্র সংসদ বা অন্য কোনো ছাত্রের হস্তক্ষেপ থাকা চলবে না। একই সঙ্গে দ্রুত পরিচ্ছন্নতা ফেরানোর দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের আশ্বাস দিয়েছে স্বাস্থ্যভবন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *