গলা কেটে খুন লিভ-ইন সঙ্গীকে! ১৮ ঘণ্টা লাশের পাশে বসে ছক, মাঝরাতে ঘাটে দেহ ফেলল মহিলা

গলা কেটে খুন লিভ-ইন সঙ্গীকে! ১৮ ঘণ্টা লাশের পাশে বসে ছক, মাঝরাতে ঘাটে দেহ ফেলল মহিলা

অতিরিক্ত মদ্যপান এবং জুয়ার ঘোর নেশাই কি ডেকে আনল মর্মান্তিক পরিণতি? মহারাষ্ট্রের নাসিকে এক যুবককে নৃশংসভাবে গলা কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল তাঁরই লিভ-ইন সঙ্গীর বিরুদ্ধে। শুধু খুনই নয়, অপরাধের প্রমাণ লোপাট করতে প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে প্রেমিকের মৃতদেহ ঘরের মধ্যেই রেখে দেওয়া হয়!

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃতের নাম বসন্ত গোরখনাথ সাতপুতে (৪০)। তিনি পাঠারডি ফাটার স্বরাজনগরের বাসিন্দা ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, বসন্তের মাত্রাতিরিক্ত মদ ও জুয়ার নেশা নিয়ে প্রতিদিন অশান্তি হতো। সেই আক্রোশ থেকেই এই পরিকল্পিত খুন।

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে পুলিশ জানায়, প্রেমিককে সরিয়ে দেওয়ার জন্য আগেই ছক কষেছিল তাঁর লিভ-ইন সঙ্গী হাসিনা শেখ। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এক বন্ধুর সাহায্যে বসন্তের ওপর হামলা চালিয়ে তাঁর গলা কেটে দেওয়া হয়। খুনের পর রক্তাপ্লুত দেহটি টানা ১৮ ঘণ্টা ঘরের ভেতরেই ফেলে রাখা হয়। এরপর গভীর রাতে চক্রান্তকারীরা একটি গাড়ি ভাড়া করে কাসারা ঘাটের নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে দেহটি ফেলে দিয়ে আসে।

নাসিক ক্রাইম ব্রাঞ্চের তৎপরতায় ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত হাসিনা শেখ সহ সাহিল শাহ ও মইন শাহ নামে মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের মতে, এই হত্যাকাণ্ডে একাধিক ব্যক্তি জড়িত ছিল এবং অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয়েছিল।

খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র, গাড়ি এবং কাসারা ঘাটে লাশ ফেলার সম্পূর্ণ ঘটনাটির তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশ। তিন অভিযুক্তকে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। ঠিক কী কারণে এবং কীভাবে পুরো ঘটনাটি ঘটানো হলো, তার বিশদ তদন্ত জারি রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *