যুদ্ধ থামেনি, তবু এক ঠোঙা পপকর্ন আর সিনেমাতেই বেঁচে থাকার জাদুকরী অক্সিজেন খুঁজছে গাজার তরুণ প্রজন্ম!

বোমা-গুলির শব্দ আর ধ্বংসস্তূপের মাঝে গাজার কিশোর-কিশোরীদের দৈনন্দিন জীবন এখন এক অচেনা আতঙ্কে মোড়া। স্কুল, খেলার মাঠ বা স্বাভাবিক শৈশব হারিয়ে যাওয়া এই জেন জি প্রজন্মের কাছে সপ্তাহের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত হয়ে উঠেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিনেমা ডে’। প্লাস্টিকের চেয়ার আর একটি পুরনো টেলিভিশন সেটের সামনে বসে কার্টুন বা সিনেমা দেখার সেই নির্দিষ্ট সময়টুকু তাদের মনে করিয়ে দেয় অন্য এক সুন্দর পৃথিবীর কথা। গাজার এই যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতিতে শিশুদের মানসিক ট্রমা কাটাতে এবং তাদের মুখে হাসি ফোটাতে অভিনব এই থেরাপি চালুর মূল নেপথ্যে রয়েছেন এক মনস্তত্ববিদ। পপকর্নের খাস্তা স্বাদে বুঁদ হয়ে থাকা এই কচিকাঁচারা সাময়িকভাবে হলেও ভুলে যায় বাস্তবের ভয়ংকর রক্তক্ষয়ী সংঘাত। যুদ্ধের নৃশংস অন্ধকার ভেদ করে রুপোলি পর্দার আলোই এখন তাদের নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখাচ্ছে।