ভুয়ো এসসি সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি! সমাবর্তনের আগেই বড় পদক্ষেপ নিল বিশ্ববিদ্যালয়

ভুয়ো তফশিলি জাতি (এসসি) শংসাপত্র ব্যবহার করে অধ্যাপনা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে কোচবিহারের পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক কার্তিক দাসকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড করা হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সঞ্চারী রায় মুখোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কথা জানানো হয়েছে। আসামের বাসিন্দা কার্তিকবাবু কোচবিহারের মহকুমা দপ্তর থেকে ওই শংসাপত্র সংগ্রহ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ। মাসখানেক আগে মহকুমাশাসকের তদন্তে সার্টিফিকেটটি ভুয়ো প্রমাণিত হওয়ায় তা বাতিল করা হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে শোকজ করলেও তিনি কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি, যার জেরে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের ঠিক আগে এই কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শুধু পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, এর আগেও মাথাভাঙা মহাবিদ্যালয় এবং আলিপুরদুয়ারের শামুকতলা মহাবিদ্যালয়ে এই একই ভুয়া সার্টিফিকেট দেখিয়ে তিনি চাকরি করেছিলেন। কীভাবে একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠানে এমন জালিয়াতি বছরের পর বছর ধরে টিকে রইল, তা নিয়ে তীব্র প্রশাসনিক ও শিক্ষামহলে প্রশ্ন উঠেছে। গোটা ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলতে অস্বীকার করেছে এবং অভিযুক্ত অধ্যাপকও ফোন ধরেননি। ঘটনার জেরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং শিক্ষাঙ্গনের স্বচ্ছতা নিয়ে বড়ো ধরনের প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।