রেস্তরাঁর খাবারে মারাত্মক বিষাক্ত উপাদান, এক লহমায় কড়া পদক্ষেপে বন্ধ একগুচ্ছ নামী দোকান!

রাজ্যজুড়ে খাদ্য ও পানীয়ের গুণমান নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে নেমেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। গত দু’দিনে ১৭৩০টি রেস্তরাঁ ও খাদ্য প্রস্তুতকারক সংস্থায় আচমকা পরিদর্শন চালিয়ে প্রায় ১৫২৫টি সংস্থায় মারাত্মক বেনিয়ম ধরা পড়েছে। পচা বাসি মাছ-মাংস, নোংরা রান্নাঘর, ক্ষতিকর ছত্রাকযুক্ত মশলা এবং আধসেদ্ধ খাবার ফ্রিজে রাখার মতো অপরাধে ৯০১টি জায়গা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এই অনিয়মের কারণে ৫টি দোকানের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে এবং ১৩টি রেস্তরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধী তালিকার মধ্যে মধ্যমগ্রামের ‘রং দে বাসন্তী ধাবা’, সেক্টর ফাইভের ‘অ্যাবসোলিউট বারবিকিউ নেশন’, ‘জাস্ট বাঙালি’ ও ‘কাঠি রোল’-এর মতো নামীদামী দোকানও রয়েছে।
খাবারের পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে পানীয় জলের কারখানাগুলোতেও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। আগামী ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। নিম্নমানের ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে জল প্যাকেটজাত করার অপরাধে মালদহের ‘মা মনসা ওয়াটার প্ল্যান্ট’, ‘ঋত্বিকা ওয়াটার প্লান্ট’-সহ ৬টি পানীয় জল তৈরির কারখানা এবং বেশ কিছু ভুজিয়ার দোকানও বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খাদ্য ও পানীয়ের মান পরীক্ষায় রাজ্যজুড়ে ৩০টি মোবাইল ল্যাবরেটরি কাজ করছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় ও স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম জানিয়েছেন, জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এই সারপ্রাইজ ভিজিট ও আইনি ব্যবস্থা আগামী দিনে আরও জোরদার করা হবে।