‘পাগল যদি কামড়ে দেয়!’ কুণালের পোস্টে ক্ষুব্ধ কাকলি দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রীর

‘পাগল যদি কামড়ে দেয়!’ কুণালের পোস্টে ক্ষুব্ধ কাকলি দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রীর

তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে (NCPI) যোগ দেওয়া সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বুধবার আচমকাই নবান্নে হাজির হন। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান তথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থী তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।

মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল ঘোষের একটি বিতর্কিত পোস্ট ঘিরেই এই অভিযোগ। কাকলির দাবি, ওই পোস্টে তাঁকে চরম অপমান করা হয়েছে। যদিও বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ তাঁর পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি। তিনি লিখেছিলেন, “আমি প্রচন্ড ভয়ে কাঁপছি। কেউ একটা কম্বল দেবেন? ভাবছি, কোনও পাগল যদি হঠাৎ কামড়ে দেয়!” নেটিজেন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, নাম না করলেও এই পোস্টটি পরোক্ষভাবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকেই লক্ষ্য করে করা হয়েছে।

তবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কাকলির এই সাক্ষাৎ নতুন কিছু নয়। গত মাসেও দিল্লিতে তাঁরা বৈঠক করেছিলেন। বর্তমানে এনসিপিআই-এর চিফ হুইপ হিসেবে বিভিন্ন সরকারি ও দলীয় কর্মসূচিতে তাঁকে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগে বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছিলেন কাকলি। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে তাঁর করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই বাদল অধিবেশনে সাসপেন্ড হতে হয়েছিল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর এবার তাঁর নিশানায় কুণাল ঘোষ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *