ক্যাম্পাসে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ভাঙচুর! কড়া আইনি ব্যবস্থার মুখে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

ক্যাম্পাসে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ভাঙচুর! কড়া আইনি ব্যবস্থার মুখে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (JU) ছাত্র সংগঠনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এবং বহিরাগতদের অবাধ অনুপ্রবেশ ঘিরে ফের উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। রাজ্য জুড়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বহিরাগতদের প্রবেশ স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবিতে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। মামলাটির গুরুত্ব বিচার করে চলতি সপ্তাহেই জরুরি শুনানির আর্জি জানানো হয়েছে আদালতে।

ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ ও নৈরাজ্য:

  • ছাত্র সংঘাত: জেনারেল বডি মিটিং (GBM)-কে কেন্দ্র করে বামপন্থী সংগঠন SFI এবং ডানপন্থী সংগঠন ABVP-র সমর্থকদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ ও ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হয়।
  • ঐতিহ্যবাহী লোগো ক্ষতিগ্রস্ত: সংঘর্ষের তীব্রতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশদ্বারের ঐতিহাসিক লোগোটির একাংশ ভেঙে নিচে পড়ে যায়।
  • বহিরাগতদের তাণ্ডব: উত্তেজনার মাঝে বহু অশিক্ষক ও অচেনা বহিরাগত ব্যক্তি ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে পুলিশের সাথেও বিক্ষোভকারীদের সংঘাত বাঁধে।

আইনি পদক্ষেপ ও আদালতের অবস্থান: সোমবার বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রর ডিভিশন বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলাটি দ্রুত শুনানির জন্য পেশ করা হয়। আদালত সূত্রের খবর, আগামী বুধবার প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে এই হাই-প্রোফাইল মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে হাজরা ল’ কলেজ ও যাদবপুরের একাধিক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় হাইকোর্ট সিসিটিভি বসানো ও রেজিস্টার খাতা মেনে প্রবেশের কড়া নির্দেশ দিয়েছিল। তা সত্ত্বেও বারবার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাঙ্গন রাজনৈতিক সংঘাতের আখড়া হয়ে ওঠায় এবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নতুন কোনো কঠোর গাইডলাইন দেয় কি না, সেদিকেই তাকিয়ে শিক্ষামহল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *