নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন: বঙ্গ বিজেপির ‘হেভিওয়েট’ স্ট্র্যাটেজি, দায়িত্বে বড় চমক!

দুর্গাপূজার আবহে রাজ্য রাজনীতিতে ফের ভোটের বাদ্যি। আগামী ৬ অক্টোবর হতে চলা নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের হাইভোল্টেজ উপনির্বাচনে ঘুঁটি সাজাতে শুরু করল বিজেপি। দুই আসনের নির্বাচনী লড়াই সামলাতে প্রথম সারির নেতাদের ওপর বিশেষ দায়িত্ব অর্পণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
নন্দীগ্রামের গুরুদায়িত্বে জ্যোতির্ময় নন্দীগ্রামের ভোট পরিচালনার মূল ব্যাটন দেওয়া হয়েছে সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোর হাতে। তাঁর পাশাপাশি নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ও সাংগঠনিক তদারকির কাজে যুক্ত রাখা হয়েছে একাধিক মন্ত্রী, সাংসদ ও বিধায়কদের। এই তালিকায় রয়েছেন:
- নীলাঞ্জন অধিকারী, অরূপ কুমার দাস, শান্তনু প্রামাণিক
- সৌমেন্দু অধিকারী, তপন মাইতি, নির্মল খারা
- চন্দ্রশেখর মণ্ডল, সিন্টু সেনাপতি ও দেবাংশু পান্ডা
রেজিনগরে ভরসা গৌরী শঙ্কর ও গার্গী মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে সাংগঠনিক নেতৃত্বের অগ্রভাগে রাখা হয়েছে গৌরী শঙ্কর ঘোষ এবং গার্গী দাস ঘোষকে। এই কমিটিতে তাঁদের সহযোগী হিসেবে থাকছেন সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ, প্রবাল রাহা, মহাদেব সরকার এবং রামপদ দাস।
ভোটের নির্ঘণ্ট ও প্রেক্ষাপট
- নির্বাচনী দিনক্ষণ: ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণ এবং ৯ অক্টোবর ফলাফল প্রকাশিত হবে।
- আসন শূন্য হওয়ার কারণ: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। পরবর্তীতে ভবানীপুরের বিধায়ক হয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর তিনি নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দেন। অন্যদিকে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) প্রধান হুমায়ুন কবীর রেজিনগর আসন থেকে ইস্তফা দেওয়ায় নিয়ম মেনে ৬ মাসের মধ্যে এই দুই আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।