জোড়াফুল কার? কমিশন বৈঠকে কাটল না জট, ফ্রিজ হতে পারে তৃণমূলের প্রতীক!

জোড়াফুল কার? কমিশন বৈঠকে কাটল না জট, ফ্রিজ হতে পারে তৃণমূলের প্রতীক!

তৃণমূল কংগ্রেসের ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার দখলে থাকছে, তা নিয়ে দিল্লির নির্বাচন কমিশনে দীর্ঘ বৈঠকের পরও কোনও চূড়ান্ত ফয়সালা হয়নি। শুক্রবার বেলা ১১টা পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়—দুই শিবিরের পেশ করা নথিপত্র স্ক্রুটিনি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

কমিশনের সম্ভাব্য পদক্ষেপ ও আইনি দিক

  • প্রতীক ফ্রিজ হওয়ার আশঙ্কা: ১৯৬৮ সালের ‘ইলেকশন সিম্বলস অর্ডার’-এর ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে কোন পক্ষ স্বীকৃত দল হিসেবে গণ্য হবে। আইনি বিশ্লেষকদের মতে, সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হলে শিবসেনা বা এনসিপি-র সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার মতো কমিশন আপাতত জোড়াফুল প্রতীকটি ‘ফ্রিজ’ (স্থগিত) করে দিতে পারে।
  • অস্তিত্বের লড়াই: প্রতীক পাওয়ার এই সংঘাত কেবল একটি নির্বাচনী চিহ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; নির্বাচন কমিশন কাকে ‘প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে, তার ওপর দলের প্রাতিষ্ঠানিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।

উপনির্বাচনে সরাসরি প্রভাব

  • নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর পরীক্ষা: আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে দুই পক্ষই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। প্রতীক সংক্রান্ত অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত না এলে দুই গোষ্ঠী কোন প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, তা নিয়ে জটিলতা তুঙ্গে।

শিবিরের প্রতিক্রিয়া ও রাজনৈতিক পারদ কমিশনের বৈঠক শেষে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁরা সমস্ত নথি জমা দিয়েছেন এবং প্রতীক পাওয়ার বিষয়ে ১০০% আশাবাদী। অন্যদিকে, মমতাপন্থী শিবিরের নালিশের ভিত্তিতে ঋতব্রত শিবিরের ১০ জন বিধায়কের পদ খারিজের আবেদনের প্রক্রিয়াও সমান্তরালভাবে জট বাড়াচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *