জোড়াফুল কার? নির্বাচন কমিশনে ঋতব্রত বনাম কালীঘাট, আজই বড় ফয়সালার সম্ভাবনা!

জোড়াফুল কার? নির্বাচন কমিশনে ঋতব্রত বনাম কালীঘাট, আজই বড় ফয়সালার সম্ভাবনা!

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের মুখে তৃণমূলের প্রতীক যুদ্ধ এবার চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছেছে। ‘জোড়াফুল’ কার দখলে থাকবে—নব তৃণমূল বনাম কালীঘাট শিবিরের এই আইনি লড়াইয়ের ফয়সালা করতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দরবারে হাজির হয়েছে দুই পক্ষই।

নির্বাচন কমিশনে দৌড়ঝাঁপ বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের দফতরে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে বৈঠকে বসেন নব তৃণমূলের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে তিনি জানান, সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। উপনির্বাচন ঘনিয়ে আসায় দ্রুত নিষ্পত্তির আবেদন জানানো হলেও, কমিশনের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা তাঁদের উদ্দেশ্য নয় বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

কালীঘাট শিবিরের শুনানি ও রাজনৈতিক জল্পনা অন্য দিকে, এদিন বিকেলেই কালীঘাট তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকেও শুনানির জন্য তলব করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। জোড়াফুল চিহ্নেই লড়াইয়ের দাবিতে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—উভয় আসনেই আলাদা প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে দুই পক্ষ।

  • মনোনয়ন জট: ভোটগ্রহণের ঠিক প্রাক্কালে প্রতীক সংক্রান্ত এই জটিলতা রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
  • ‘ফ্রিজ’ হওয়ার আশঙ্কা: রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, মহারাষ্ট্রের শিবসেনা মামলার অনুকরণে জোড়াফুল প্রতীকটি ‘ফ্রিজ’ (স্থগিত) করে দুই শিবিরকে নতুন দুটি পৃথক প্রতীক বরাদ্দ করতে পারে কমিশন।

কমিশনের আজকের এই জোড়া শুনানির পরই স্পষ্ট হতে চলেছে রাজ্য রাজনীতির আগামী মোড়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *