‘একজনের পক্ষে সম্ভব নয়’: পুরুলিয়া হত্যাকাণ্ডে ফুঁসছে পরিবার, থানা ঘেরাও

‘একজনের পক্ষে সম্ভব নয়’: পুরুলিয়া হত্যাকাণ্ডে ফুঁসছে পরিবার, থানা ঘেরাও

খুনের নৃশংসতা ও গ্রেপ্তার পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডির বাসিন্দা এক নার্সিং ছাত্রীকে নিজ মেসে ডেকে গলা কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল প্রেমিক অমিতকুমার মাহাতোর বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুরে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর তরুণীর রক্তাক্ত দেহ বস্তাবন্দি করে লোপাটের চেষ্টা করছিল অভিযুক্ত। তবে শনিবার মাঝরাতে পুরুলিয়া শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে বলরামপুর থানার পুলিশের হাতে ধরা পড়ে অমিত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত দাবি করে, সম্পর্কে টানাপোড়েন ও অন্য কারও উপস্থিতি নিয়ে সন্দেহ থেকেই সে এই কাজ করেছে।

থানা ঘেরাও ও গণবিক্ষোভ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলরামপুর এলাকা। ন্যায়বিচারের দাবিতে শত শত নারী-পুরুষ রাস্তায় নেমে মিছিল করেন।

  • বৃহৎ জমায়েত: বিক্ষোভকারীরা বলরামপুর থানার গেটের সামনে জমায়েত হয়ে বিচার ও ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।
  • পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি: থানায় ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের তীব্র বচসা ও ধস্তাধস্তি হয়।
  • যৌথ ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা: আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট দাবি, একা অমিতের পক্ষে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়। নেপথ্যে থাকা বাকি ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।

অভিযুক্ত ও নিহতের পটভূমি

  • অমিতকুমার মাহাতো (অভিযুক্ত): সম্প্রতি রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল ও ‘অগ্নিবীর’ উভয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।
  • নিহত তরুণী: দু’দিনের মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি নার্সিং কলেজে ভর্তি হওয়ার কথা ছিল তাঁর।
  • সম্পর্ক: প্রায় চার বছরের জানাশোনা থাকলেও দু’টি পরিবারেরই দাবি, এই সম্পর্কের বিষয়ে তাঁরা ঘুণাক্ষরেও কিছু জানতেন না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *