প্যান্ডেল উদ্বোধন থেকে মহাষ্টমীতে মদ বিক্রি, পুজোয় মানতেই হবে এই ৭ কড়া নির্দেশ!
.jpeg.webp?w=1200&fit=1200,769&ssl=1)
আসন্ন দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে একাধিক নতুন নির্দেশিকা ও নিয়ম সামনে এসেছে। প্রতিমার উচ্চতা, প্যান্ডেল উদ্বোধন, ডিজে সাউন্ড সিস্টেম থেকে শুরু করে বিসর্জনের শোভাযাত্রা—বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বড়সড় রদবদল দেখা যাবে। সাধারণ দর্শনার্থী ও পুজো উদ্যোক্তা—উভয়ের জন্যই জেনে রাখা জরুরি এবারের পুজোর ৭টি প্রধান নিয়ম।
১. ১১ ফুটের বেশি নয় প্রতিমার উচ্চতা: এবার বেশিরভাগ মণ্ডপেই ১১ ফুটের মধ্যে রাখা হচ্ছে দুর্গাপ্রতিমা। কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীদের মতে, এবার থিম পুজোর সংখ্যা অনেকটাই কমেছে এবং সাবেকি প্রতিমার প্রতি ঝোঁক বেড়েছে। তবে কলকাতা পুলিশের স্পষ্ট বার্তা—১১ ফুটের এই উচ্চতার নিয়ম নতুন কিছু নয়, এটি আগে থেকেই চালু রয়েছে।
২. মহালয়ার আগে মণ্ডপ উদ্বোধন নয়: আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার আগে কোনও পুজো মণ্ডপ উদ্বোধন করা যাবে না। অর্থাৎ দেবীপক্ষ সূচনার পর থেকেই সাধারণ মানুষ মণ্ডপে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।
৩. রেড রোডের বদলে ইডেন গার্ডেন্সে বিশেষ অনুষ্ঠান: দশমীর পর রেড রোডের ঐতিহ্যবাহী পুজো কার্নিভালের বদলে এবার ইডেন গার্ডেন্সে মহালয়া উপলক্ষে এক জমকালো অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে লোকনৃত্য, ঢাকের পারফরম্যান্স, আতশবাজি এবং ড্রোন শো থাকবে। এই মঞ্চ থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপের ভার্চুয়াল উদ্বোধনের ব্যবস্থা থাকতে পারে।
৪. মহাষ্টমীতে পুরোপুরি বন্ধ মদ বিক্রি: আগামী ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমীর দিন রাজ্যজুড়ে সমস্ত বার এবং মদের দোকান বন্ধ থাকবে। ওই দিনটিতে মদ বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে।
৫. পুজো ও বিসর্জনে ডিজে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: পুজোর দিনগুলিতে কিংবা বিসর্জনের শোভাযাত্রায় বিকট শব্দের ডিজে বা সাউন্ড সিস্টেম বাজানো যাবে না। তবে ঢাক এবং অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র বাজানোয় কোনও নিষেধ নেই। সেই সঙ্গে রাস্তা বা জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করার ওপর কড়া নজরদারি থাকবে।
৬. ঐতিহ্য বজায় রেখে থিম পুজো: থিম পুজো করায় কোনও সরকারি নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে থিম বা প্রতিমার নকশায় যেন কোনও ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত না লাগে এবং সনাতন ঐতিহ্য ক্ষুণ্ণ না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
৭. মণ্ডপে মদ্যপ প্রবেশ রুখতে ব্রেথলাইজার টেস্ট: দর্শনার্থীরা যাতে মদ্যপ অবস্থায় প্যান্ডেলে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারেন, সে জন্য ভবানীপুরের ‘চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব’ কমিটি নিজস্ব উদ্যোগে ব্রেথলাইজার পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখছে। এটি অবশ্য সরকারি সিদ্ধান্ত নয়, উক্ত পুজো কমিটির নিজস্ব পদক্ষেপ।