পুজোর কেনাকাটায় ইউপিআই ‘ঝামেলা’! চার্জ এড়াতে ‘আইনের ফাঁক’ খুঁজছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা

পুজোর কেনাকাটায় ইউপিআই ‘ঝামেলা’! চার্জ এড়াতে ‘আইনের ফাঁক’ খুঁজছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা

কলকাতা: পুজোর মুখে শপিং করতে গিয়ে কিউআর কোডে স্ক্যান করার আগে দু’বার ভাবতে হতে পারে! আগামী মাস থেকেই ২ হাজার টাকার বেশি ডিজিটাল লেনদেনে ব্যবসায়ীদের মাশুল বা অতিরিক্ত চার্জ গুনতে হতে পারে— এমন খবরে এখন রাজ্যজুড়ে তোলপাড়। দুর্গাপুজোর ঠিক মুখে এই খবরে কপালে ভাঁজ পড়েছে শহর ও শহরতলির ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের।

ইউপিআই ছাড়া উপায় নেই!

আজকের দিনে নগদ টাকার ব্যবহার অনেকটাই কমে গিয়েছে। জামাকাপড়, রেস্তোরাঁ কিংবা পেট্রোল পাম্প— সর্বত্রই এখন ইউপিআই লেনদেনের রমরমা। তাই রাতারাতি এই ব্যবস্থা বন্ধ করা আসাম্ভব। ক্রেতাদের অভ্যাস বজায় রাখতে এবং নিজেদের ব্যবসাকে বাঁচাতে এখন বিকল্প পথ বা ‘আইনের ফাঁক’ খুঁজতে মরিয়া ব্যবসায়ীরা।

কীভাবে চার্জ এড়ানোর ছক?

গড়িয়াহাটের বস্ত্র ব্যবসায়ীদের বড় অংশই এখন বিকল্প ফন্দি আঁটছেন।

  • পেমেন্ট ভাগ করা: ৬ হাজার টাকার কেনাকাটা হলে একবারে না নিয়ে ১,৯৯৯ টাকা করে তিনবারে স্ক্যান করানোর পরিকল্পনা করছেন অনেকে।
  • ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট: মার্চেন্ট কিউআর কোডের বদলে সরাসরি নিজেদের ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা নিয়ে নেওয়ার কথাও ভাবছেন কেউ কেউ।

ক্রেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ

ব্যবসায়ীদের একাংশ এই নিয়ম মেনে নিলেও, সাধারণ ক্রেতাদের ভয় অন্য জায়গায়। ঘুরেফিরে এই অতিরিক্ত খরচের বোঝা কি শেষ পর্যন্ত আমজনতার ঘাড়েই চাপবে? বহু ক্রেতাই স্পষ্ট জানাচ্ছেন, যদি অতিরিক্ত টাকা মেটাতে হয়, তবে তাঁরা ২ হাজার টাকার বেশি ইউপিআই পেমেন্ট করবেনই না।

সব মিলিয়ে, পুজোর কেনাকাটা জমার আগেই ইউপিআই-এর অতিরিক্ত মাশুল নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতা— দুই শিবিরের মধ্যেই পারদ চড়ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *