৯/১১-এর নিয়মে ককপিটে কুঠার, সেই অস্ত্রেই ভারতীয় পাইলটের ওপর জঙ্গি হামলা! বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে – এক ঝলক

একঝলক ডেস্ক:
ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ককপিট রক্তারক্তির নেপথ্যে ব্যক্তিগত শত্রুতা নয়, ছিল এক গভীর জঙ্গি ষড়যন্ত্র। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর অ্যাটর্নি জেনারেলের দেওয়া সরকারি বিবৃতিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। দুবাই থেকে তেল আভিভগামী বিমানে ওমানি পাইলট হামাম আল-হামামি বিমানটিকে সৌদি আরবের দিকে ঘুরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি বুঝতে পেরে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর বাধা দিতে গেলে হামাম ককপিটে থাকা কুঠার দিয়ে তাঁর ওপর প্রাণঘাতী আক্রমণ চালায়। স্মিতের অসীম সাহসিকতা ও অন্য ক্রু সদস্যদের সহায়তায় বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হলেও ককপিটের ভেতরের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এই ঘটনার পর বিমানে প্রাণঘাতী অস্ত্রের উপস্থিতি নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মূলত ২০০১ সালের ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের সুরক্ষাবিধি বদলে ককপিটের ভেতরেই ‘ক্র্যাশ এক্স’ বা কুঠার রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়, যাতে বাইরের কেউ এটি নাগাল না পায়। তবে সুরক্ষার উদ্দেশ্যে গৃহীত এই নিয়মটিকেই এবার হাতিয়ার করেছে জঙ্গি পাইলট। বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর করা গভীর ষড়যন্ত্রের দাবিতে সিলমোহর দিয়ে ইউএই প্রশাসন এই ঘটনাকে আনুষ্ঠানিক সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং একই সঙ্গে ভারতীয় পাইলটের সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানিয়েছে।