নেপালের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে পাহাড়ে অনিশ্চয়তা, আশাতীত বুকিংয়ে পুজোর মুখে জমজমাট দীঘা ও মন্দারমণি

নেপালের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে পাহাড়ে অনিশ্চয়তা, আশাতীত বুকিংয়ে পুজোর মুখে জমজমাট দীঘা ও মন্দারমণি

দুর্গাপুজোর মুখে পাহাড়ের অনিশ্চিত পরিস্থিতির জেরে বাঙালির পুজোর ভ্রমণের গন্তব্য হিসেবে প্রথম সারিতে উঠে এসেছে সমুদ্রসৈকত। সম্প্রতি নেপালে ঘটে যাওয়া বিপর্যয়ের পর নিরাপত্তার স্বার্থে অনেকেই পাহাড়ি অঞ্চলে ছুটির পরিকল্পনা বাতিল করে দীঘা, মন্দারমণি ও তাজপুরের দিকে ঝুঁকছেন। দীঘা-শংকরপুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, উৎসবের আগেই এখানকার প্রায় ৬০ শতাংশ হোটেলের ঘরের আগাম বুকিং সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। অন্যান্য বছর মূলত নবমীর পর থেকে সৈকতে ভিড় শুরু হলেও, এবার পুজোর প্রথম দিন থেকেই রেকর্ড পর্যটক সমাগমের আশা করছেন স্থানীয় হোটেল মালিক ও ব্যবসায়ীরা।

পর্যটকদের জন্য এবার সমুদ্রদর্শনের পাশাপাশি থাকছে একাধিক আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা। দীঘার বিখ্যাত জগন্নাথ দেবের মন্দির দর্শনের সুযোগ যেমন রয়েছে, তেমনই সৈকত শহরের একাধিক বিগ বাজেটের দুর্গোৎসবে শামিল হওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। স্থানীয় সর্বজনীন কমিটি ও হোটেল কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে অঞ্জলি দানসহ নানা উৎসবমুখী কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই, প্রতিবেশী ওড়িশা থেকেও প্রচুর দর্শনার্থীর আগমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে পুজোর আমেজ যুক্ত হওয়ায় এবার পুজোর দিনগুলিতে দীঘা-মন্দারমণি কানায় কানায় পূর্ণ থাকবে বলে আশাবাদী সৈকতের হোটেল অ্যাসোসিয়েশনগুলি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *