স্তন ক্যানসার মানেই কি জীবনের শেষ? পিঙ্ক অক্টোবরে জানুন সাত আধুনিক চিকিৎসায় বাঁচার আসল সত্যি!

অক্টোবর মাস বিশ্বজুড়ে স্তন ক্যানসারের বিরুদ্ধে সচেতনতার প্রতীক হিসেবে পালিত হলেও এই রোগের ক্ষেত্রে ভয় ও সংকোচ এখনও অনেক জীবন কেড়ে নিচ্ছে। স্তনের গাঁট, নিপল থেকে রক্তক্ষরণ কিংবা ত্বকের অস্বাভাবিক পরিবর্তনের মতো প্রাথমিক লক্ষণগুলি অনেক সময়ই অবহেলা করা হয়। অথচ সময়মতো রোগ শনাক্ত করতে পারলে চিকিৎসার সাফল্যের হার প্রায় পঁচানব্বই থেকে আটানব্বই শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। গ্রামাঞ্চল হোক বা শহর, নিজের শরীরকে চেনা এবং নিয়মমাফিক স্তন পরীক্ষা করার অভ্যাসই এই মারণরোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রথম ও সবচেয়ে শক্তিশালী পদক্ষেপ।
আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান এখন স্তন ক্যানসারের লড়াইতে নিয়ে এসেছে সাতটি অসাধারণ অস্ত্র, যা রোগীর জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসও ফিরিয়ে দিচ্ছে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্তন বাদ না দিয়ে আক্রান্ত অংশটুকু সংরক্ষণ করে প্রায় ষাট শতাংশ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব। এর পাশাপাশি কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, হরমোন-চিকিৎসা, মলিকিউলার টার্গেটেড থেরাপি, ইমিউনোথেরাপি এবং জিনগত বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে নির্দিষ্ট ওষুধ প্রয়োগের আধুনিক ব্যবস্থা রয়েছে। সঠিক সময়ে রোগ ধরা পড়লে এবং চিকিৎসকদের সঠিক নির্দেশিকা মেনে চললে ভয়ের অন্ধকার ভেদ করে নতুন জীবনের আলো দেখা সম্পূর্ণ সম্ভব।