ডিউটি বিক্রির চক্রে রাশ টানতে বায়োমেট্রিক হাজিরা, স্বাস্থ্যভবনের কঠোর পদক্ষেপে তোলপাড় রাজ্য

এমবিবিএস পাশ করার পর ইন্টার্নশিপের ডিউটি টাকার বিনিময়ে বিক্রির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসল স্বাস্থ্যদপ্তর। রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলিতে প্রক্সি ডিউটি ও হাজিরা নিয়ে বেনিয়ম রুখতে এবার ফেস-বেসড বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত এসএসকেএম এবং এনআরএস মেডিক্যাল কলেজে এই কড়া নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে, যা পরবর্তীতে ধাপে ধাপে রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালেও চালু হবে। কাজে যোগ দেওয়ার সময় এবং ডিউটি শেষের পর বায়োমেট্রিক উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধানরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবেন।
সূত্রের খবর, প্রায় সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজেই জুনিয়র ডাক্তারদের ডিউটি বিক্রির একটি সুসংগঠিত সিন্ডিকেট সক্রিয় ছিল। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে ঘণ্টাপিছু নির্ধারিত রেটে ডিউটি বদল বা বিক্রির এই প্রবণতা গত তিন বছর ধরে চলছে বলে অভিযোগ। এই দুর্নীতি ঠেকাতে সমস্ত ইন্টার্ন, হাউসস্টাফ ও পিজিটিদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র ইস্যু করা হচ্ছে এবং ছুটি নিতে হলেও বিভাগীয় প্রধানকে আগে জানাতে হবে। নির্ধারিত রোস্টার মেনে দায়িত্ব পালন ও কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফেরাতে স্বাস্থ্যভবনের এই কড়া পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।