রাজনৈতিক হিংসায় নিহতদের পরিবারে সরকারি চাকরি! জেনে নিন নবান্নের কড়া শর্ত ও আবেদনের শেষ কথা

গত ২৫ বছরে রাজনৈতিক হিংসায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার। ২০০১ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পর থেকে নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সংঘাতের বলি হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের এক জন নির্ভরশীল সদস্যকে বিশেষ প্রকল্পের আওতায় গ্রুপ-ডি পদে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতর, ডিরেক্টরেট ও কালেক্টরেটে এই নিয়োগ হবে। নিহত ব্যক্তির স্বামী, স্ত্রী, সন্তান কিংবা মৃত্যুর আগে আইনত দত্তক নেওয়া ছেলে-মেয়েরাও এই সুযোগ পাবেন। চাকরির সুবিধা পেতে নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে জেলাশাসকের কাছে জমা দিতে হবে। আবেদনের সঙ্গে ডেথ সার্টিফিকেট, সম্পর্কের প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট ঘটনার এফআইআর এবং চার্জশিটের কপি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
আবেদনকারীদের যোগ্যতা যাচাই করবে একটি বিশেষ স্ক্রিনিং কমিটি এবং চূড়ান্ত নিয়োগের আগে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও মেডিক্যাল টেস্টে উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক। জেলা স্তরের কমিটির সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে ৩০ দিনের মধ্যে রাজ্য স্তরের কমিটির কাছে ‘ফর্ম-বি’ পূরণ করে আপিল করার সুযোগ থাকছে। তবে চাকরি পাওয়ার পরেও কর্মীদের মেনে চলতে হবে কড়া নিয়মাবলী। প্রতি বছর ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ‘ফর্ম-সি’ জমা দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে তিনি নিহত ব্যক্তির পরিবারের অন্য সব নির্ভরশীল সদস্যদের নিয়মিত ভরণপোষণ করবেন। সরকারের বেঁধে দেওয়া এই সকল শর্তাবলী পূরণ করলেই মিলবে স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ।