অষ্টম বেতন কমিশনের মেয়াদের ৬৬ শতাংশ পার, ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ও নতুন বেতন কাঠামোর অপেক্ষায় কোটি কর্মচারী

মেয়াদের প্রায় ৬৬ শতাংশ সময় শেষ করেছে অষ্টম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশন (৮ম সিপিসি)। আগামী ২০২৭ সালের মে মাসের মধ্যে কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। গঠিত হওয়ার এক বছর পর কমিশনের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে জানানো হয়েছে যে, প্রায় ৫০ লাখ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং প্রতিরক্ষা ও রেলের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীসহ প্রায় ৬৫ লাখ পেনশনভোগী এখন চূড়ান্ত সুপারিশের অপেক্ষায় রয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিশনকে ১৮ মাসের মধ্যে কার্যপরিধি (ToR) অনুযায়ী বেতন, ভাতা, ইনক্রিমেন্ট ও পেনশনের সূত্রের যৌক্তিকীকরণ করে সুপারিশ জমা দিতে হবে।
গত মার্চ মাস থেকে কমিশনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হয় এবং জুলাইয়ের মধ্যে বিভিন্ন কর্মচারী ইউনিয়ন, মন্ত্রক ও অংশীজনদের থেকে পরামর্শ গ্রহণের কাজ শেষ হয়েছে। প্রাপ্ত স্মারকলিপি ও দাবিদাওয়ার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’ এবং সংশোধিত বেতন কাঠামো নির্ধারণের পর্যালোচনা চলছে। তবে ২০২৭ সালে সুপারিশ জমা পড়ার পর তা চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়িত হতে আরও দুই থেকে তিন বছর সময় লেগে যেতে পারে। ফলে ২০২৯ বা ২০৩০ সালের দিকে কেন্দ্রীয় কর্মচারীরা বর্ধিত আর্থিক সুবিধা পুরোপুরি হাতে পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।