গভীর রাতে পায়ে অসহ্য টান? মুহূর্তে যন্ত্রণামুক্তির এই জাদুকরী উপায় জেনে নিন!
August 7, 202611:20 am

গভীর রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছেন, হঠাৎ পায়ের পেশিতে জাঁকিয়ে বসল তীব্র যন্ত্রণা! অথবা কিছুটা দ্রুত হাঁটতেই পা হঠাৎ শক্ত হয়ে আটকে গেল— এই ধরনের ‘লেগ ক্র্যাম্প’ বা পায়ের টানের অভিজ্ঞতায় অনেকেই পড়েছেন। সাময়িক হলেও এই যন্ত্রণা মানুষকে এক মুহূর্তে কাবু করে ফেলে।
চিকিৎসকদের মতে, না জেনে ভুলভাল মালিশ বা পেশিতে অতিরিক্ত চাপ দিলে এই ব্যথা আরও বেড়ে যেতে পারে। তবে চিন্তার কিছু নেই, সঠিক কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ে খুব দ্রুতই এই যন্ত্রণা থেকে মিলতে পারে মুক্তি।
টান ধরলে তৎক্ষণাৎ যা করবেন:
- সঠিকভাবে স্ট্রেচিং (Stretching): যে পেশিতে টান ধরেছে, তার বিপরীত দিকে সেটিকে ধীরে ধীরে প্রসারিত করুন। যেমন—পায়ের কাফ মাসলে টান ধরলে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পায়ের বুড়ো আঙুল ওপরের দিকে তোলার চেষ্টা করুন।
- পায়ের পাতায় চাপ দেওয়া: বিছানায় সোজা হয়ে পা ছড়িয়ে বসুন। এবার হাতের সাহায্যে পায়ের আঙুলগুলোকে নিজের শরীরের দিকে আস্তে আস্তে টেনে আনুন। এতে শক্ত হয়ে যাওয়া পেশি দ্রুত শিথিল হয়ে আসে।
- হালকা হাঁটাচলা: ব্যথা সহ্য করার মতো থাকলে ঘরেই ধীরে ধীরে কয়েক পা হাঁটুন। এতে পায়ে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং পেশির টান কমে।
- গরম বা ঠান্ডা সেঁক: টান বা ক্র্যাম্প কমে যাওয়ার পর ব্যথা অনুভূত স্থানে হালকা বরফ ঘষে নিতে পারেন। অথবা গরম জলের সেঁক দিলেও ওই অংশের রক্ত চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক হয়।
পেশিতে টান ধরে কেন?
গবেষণা বলছে, শরীরে জল ও প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইট (Electrolytes)-এর ঘাটতি হলে এই সমস্যা বাড়ে। বিশেষ করে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে পেশি আচমকা সংকুচিত হয়ে যায়। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।