১৪ বছর বয়সে প্রেমে পড়েন করিনা, তালা ভেঙে দেখা করতে যান প্রেমিকের সঙ্গে! তারপর মা নামিয়েছিলেন প্রেমের ভূত

১৪ বছর বয়সে প্রেমে পড়েন করিনা, তালা ভেঙে দেখা করতে যান প্রেমিকের সঙ্গে! তারপর মা নামিয়েছিলেন প্রেমের ভূত

বলিউড সুপারস্টার কারিনা কাপুর খান বর্তমানে সাইফ আলী খানের সঙ্গে সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন। তবে পর্দার ‘বেবো’ বাস্তব জীবনেও যে বেশ ডানপিটে ছিলেন, তার প্রমাণ মেলে তার কিশোরী বয়সের এক রোমাঞ্চকর ঘটনায়। মাত্র ১৪ বছর বয়সে কারিনা এক কিশোরের প্রেমে পড়েন এবং তাকে দেখার নেশায় বাড়ির শাসনের কড়া তালা পর্যন্ত ভেঙেছিলেন। তবে মেয়ের এই অবাধ্যতা আর প্রেমের খবর যখন মা ববিতার কানে পৌঁছায়, তখন তিনি মোটেও তা সহজভাবে নেননি।

তালা ভেঙে অভিসার ও মায়ের কঠোর পদক্ষেপ

কারিনা নিজেই এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন যে, কিশোর বয়সে প্রেমে পড়ার পর তার ওপর কড়া নজরদারি শুরু হয়। ববিতা কাপুর মেয়ের ফোন কেড়ে নিয়ে ঘরে তালাবন্ধ করে রাখতেন। একবার মা রাতের খাবারের জন্য বাইরে গেলে কারিনা জেদ চেপে বসেন এবং একটি চাকুর সাহায্যে দরজার তালা ভেঙে বন্ধুদের সাথে সেই বিশেষ মানুষটির সঙ্গে দেখা করতে চলে যান। এই ঘটনাটি কাপুর পরিবারে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল এবং কারিনার দুরন্তপনা থামাতে তার মা অত্যন্ত কঠিন এক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।

বোর্ডিং স্কুলে নির্বাসন ও প্রেমের সমাপ্তি

মেয়ের এই বেপরোয়া আচরণ দেখে ববিতা কাপুর তাকে অবিলম্বে দেরাদুনের একটি বোর্ডিং স্কুলে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। মূলত কিশোরী কারিনাকে প্রেমের মোহ থেকে দূরে রাখা এবং শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্যই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। দেরাদুনের সেই কড়া শাসনে যাওয়ার ফলেই কারিনার শৈশবের প্রথম প্রেমটি অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয় এবং অপূর্ণ থেকে যায়। ঘটনাটি আজ কারিনার কাছে নিছক স্মৃতি হলেও, সে সময় এটি ছিল বিনোদন জগতের অন্যতম এক ব্যক্তিগত চাঞ্চল্য।

এক ঝলকে

  • মাত্র ১৪ বছর বয়সে এক কিশোরের প্রেমে পড়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর।
  • প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে মা ববিতা কাপুরের দেওয়া ঘরের তালা চাকুর সাহায্যে ভেঙেছিলেন তিনি।
  • মেয়ের অবাধ্যতা দেখে তাকে শাসনের জন্য দেরাদুনের বোর্ডিং স্কুলে পাঠিয়ে দেন মা।
  • এই কঠোর সিদ্ধান্তের কারণেই কারিনার শৈশবের প্রথম প্রেমটি পরিণতি পাওয়ার আগেই শেষ হয়ে যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *