‘কোহলি তাড়াতাড়ি আউট হলে খাওয়ার ইচ্ছেই চলে যেত’, বিরাটের প্রতি আবেগঘন নানা পাটেকর
ক্রিকেটের প্রতি বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকরের টান নতুন কিছু নয়। শুধু ম্যাচ দেখাই নয়, ক্রিকেটকে বেশ নিখুঁতভাবে অনুসরণও করেন তিনি। তবে ভারতীয় ক্রিকেটের পোস্টার বয় বিরাট কোহলির প্রতি তাঁর দুর্বলতা যে অন্য মাত্রার, তা এক সাক্ষাৎকারে নিজেই ফাঁস করেছিলেন অভিনেতা।
সাক্ষাৎকারে নানা পাটেকর জানান, বিরাট কোহলি তাঁর অত্যন্ত পছন্দের একজন খেলোয়াড়। কোহলির খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। আবেগপ্রবণ হয়ে নানা বলেন, “আমি ওকে মন থেকে ভালোবাসি। কোহলি যদি কোনো ম্যাচে তাড়াতাড়ি আউট হয়ে যেত, তবে আমার মন এতটাই খারাপ হতো যে খাওয়ার ইচ্ছেটাই চলে যেত।” কিংবদন্তি অভিনেতার এই অকপট স্বীকারোক্তি থেকে স্পষ্ট, বিরাটের ব্যাটিং দেখার আবেগ তাঁর ব্যক্তিগত মেজাজ ও দৈনন্দিন জীবনের ওপর কতটা প্রভাব ফেলত।
শুধু কোহলি-প্রেমেই থেমে থাকেননি নানা, সিনেমা নির্মাণের জটিল প্রক্রিয়াটিকে তিনি তুলনা করেছেন একটি ক্রিকেট ম্যাচের সঙ্গে। তাঁর মতে, একটি টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচ সর্বোচ্চ পাঁচ দিন চলে। কিন্তু একটি সিনেমা পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে প্রায় দেড় থেকে দুই বছর সময় লেগে যায়।
তবে দুটির মূল পার্থক্য তুলে ধরে তিনি জানান, ক্রিকেটের ফল নির্ভর করে দলের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের ওপর। কিন্তু সিনেমার ক্ষেত্রে শেষ কথা বলেন দর্শকরাই। নানা পাটেকরের ভাষায়, “আমরা দেড়-দুই বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করে সিনেমা বানাই, তবে সেটা সফল হবে কি না তা ঠিক করেন সাধারণ মানুষ। ছবি মুক্তির দিনই বোঝা যায় আমাদের পরিশ্রমের ফল কী হলো।”
নানা পাটেকরের এই মন্তব্যে একদিকে যেমন বিরাট কোহলির প্রতি তাঁর অন্ধ ভালোবাসার চিত্র ফুটে উঠেছে, তেমনই অন্যদিকে ফুটে উঠেছে সিনেমা ও ক্রিকেট— দুই ভিন্ন জগতকে দেখার এক সুচিন্তিত দৃষ্টিভঙ্গি।