ফ্যাশনের চক্করে ধর্মের অবমাননা? পবিত্র সুতো কেটে নেটিজেনদের রোষের মুখে জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার অপূর্বা মুখার্জি

ফ্যাশনের চক্করে ধর্মের অবমাননা? পবিত্র সুতো কেটে নেটিজেনদের রোষের মুখে জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার অপূর্বা মুখার্জি

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার অপূর্বা মুখার্জি, যিনি নেটদুনিয়ায় ‘দ্য রেবেল কিড’ নামে পরিচিত, সম্প্রতি এক চরম বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ‘কোচেলা ভ্যালি মিউজিক অ্যান্ড আর্টস ফেস্টিভ্যাল’-এ যোগ দেওয়ার আগে নিজের হাতের পবিত্র ‘মৌলি’ বা রক্ষাকবচ কেটে ফেলার একটি ভিডিও শেয়ার করেন তিনি। স্রেফ ছবির নান্দনিকতা বা ‘এস্থেটিকস’ বজায় রাখার জন্য সনাতন ধর্মের এই পবিত্র সুতো কেটে ফেলায় নেটিজেনদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়েছেন এই তরুণী।

ফ্যাশন বনাম ধর্মীয় বিশ্বাস

ভিডিওতে অপূর্বাকে তাঁর কোচেলা ভ্রমণের প্রস্তুতি দেখাতে দেখা যায়। সেখানে নিজের হাতের লাল সুতোটি কাটার সময় তিনি অত্যন্ত তাচ্ছিল্যের সাথে মন্তব্য করেন যে, তাঁর পুরোহিত এটি কাটতে নিষেধ করেছিলেন, কিন্তু সুন্দর ছবির খাতিরে তিনি তা গ্রাহ্য করছেন না। এমনকি সুতোটি কাটার পর ‘আমি মারা যাব না বলে আশা করছি’—এমন ব্যঙ্গাত্মক উক্তিও যোগ করেন তিনি। তাঁর এই আচরণকে ধর্মীয় রীতিনীতির প্রতি চরম অবজ্ঞা হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ।

সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া

অপূর্বার এই ভিডিও মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনদের সমালোচনার জোয়ার বয়ে আনে। অনেকে মন্তব্য করেছেন যে, কোনো পোশাক বা শখের ছবি ধর্মীয় সেন্টিমেন্টের চেয়ে বড় হতে পারে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, আধুনিকতা বা ফ্যাশনের নামে ধর্মীয় ঐতিহ্যকে হেয় করা বর্তমানে একটি সস্তা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। বারবার বিতর্কে জড়ানো এই ইনফ্লুয়েন্সার অবশ্য এই চরম উত্তেজনার মুখেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক দুঃখ প্রকাশ করেননি।

এক ঝলকে

  • কোচেলা মিউজিক ফেস্টিভ্যালের ছবির জন্য হাতের পবিত্র ‘মৌলি’ কেটে বিতর্কে জড়ালেন ইনফ্লুয়েন্সার অপূর্বা মুখার্জি।
  • ভিডিওতে ধর্মীয় সুতো কাটার সময় ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করায় নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
  • আধুনিক ফ্যাশনের জন্য ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে তুচ্ছ করায় অপূর্বার দায়িত্বজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
  • পূর্বের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বিতর্কিত এই ক্রিয়েটর বর্তমানে ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *