“আমি না জিতলে হয়তো এমনটা হতো না,” সহকারীর মৃত্যুতে নিজেকেই দুষছেন শুভেন্দু!

নিজের দীর্ঘদিনের আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিজেপি নেতা ও বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। শোকে মুহ্যমান শুভেন্দু এই মৃত্যুর জন্য পরোক্ষভাবে নিজেকেই দায়ী মনে করছেন। তিনি আবেগঘন কণ্ঠে জানান, ভবানীপুর উপনির্বাচনে তিনি জয়ী না হলে কিংবা চন্দ্রনাথ তাঁর সহায়ক হিসেবে কাজ না করলে হয়তো আজ এই মর্মান্তিক পরিণতি হতো না। শোকাতুর নেতার একটাই আক্ষেপ, নিহতের পরিবারের সামনে তিনি এখন কোন মুখে দাঁড়াবেন।
রাজনৈতিক লক্ষ্যবস্তু হওয়ার অভিযোগ
শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, চন্দ্রনাথ রথ সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক একজন মানুষ ছিলেন। রাজনৈতিক কোনো কর্মকাণ্ড বা বিতর্কিত মন্তব্যের সাথে তাঁর দূরতম কোনো সম্পর্ক ছিল না। তা সত্ত্বেও কেন একজন সাধারণ ও অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে অকালে প্রাণ দিতে হলো, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর মতে, কেবলমাত্র তাঁর সাথে কাজ করার কারণেই চন্দ্রনাথকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে।
এই ঘটনার ফলে রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মীদের পাশাপাশি তাঁদের ঘনিষ্ঠ ও অরাজনৈতিক সহকারীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শুভেন্দুর এই বিস্ফোরক মন্তব্য ও আবেগপ্রবণ অবস্থান রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে, সেই বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করেছে। এই মৃত্যু শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের জন্য এক বিশাল ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
- নিহতের পরিবারের কাছে দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।
- চন্দ্রনাথকে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে দাবি করে তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
- এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।