উচ্চমাধ্যমিকে পাসের হারে মেয়েরাই সেরা, কম নম্বর পেলে ফের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ

উচ্চমাধ্যমিকে পাসের হারে মেয়েরাই সেরা, কম নম্বর পেলে ফের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ

প্রকাশিত হলো ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার মাত্র ৭৬ দিনের মাথায় এই ফল প্রকাশ করল উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। এবারের পরীক্ষায় পাসের হার ৯১.২৩ শতাংশ, যেখানে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। মেয়েদের পাসের হার ৯২.৪৭ শতাংশ। মোট ৭.১০ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ নম্বর বা ‘A++’ গ্রেড পেয়েছেন ৬ হাজার ১৩৪ জন। আজ সকাল ১১টা থেকে সংসদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটগুলোতে পরীক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল দেখতে পাচ্ছেন।

নম্বর বাড়াতে মার্কশিট সমর্পণের অভিনব সুযোগ

এবারের উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফলে সবথেকে বড় চমক হলো নম্বর উন্নয়নের (ইমপ্রুভমেন্ট) সুযোগ। পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার জানিয়েছেন, কোনো পরীক্ষার্থী যদি তার প্রাপ্ত নম্বরে সন্তুষ্ট না হন, তবে তিনি পরবর্তী বছর পুনরায় পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবেন। এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হলে পরীক্ষার্থীকে তার বর্তমান বছরের মার্কশিটটি সংসদের কাছে সমর্পণ বা ‘সারেন্ডার’ করতে হবে। নতুন সেমিস্টার পদ্ধতিতে তৃতীয় ও চতুর্থ সেমেস্টারের ফলাফল অনুযায়ী যারা নিজেদের মানোন্নয়ন করতে চান, তাদের জন্যই এই বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ভবিষ্যৎ প্রভাব ও বিকল্প ব্যবস্থা

সংসদ সভাপতির মতে, এই নতুন পদ্ধতি পরীক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার দৌড়ে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করবে। তবে এক বছর পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কায় অনেকে এই সুযোগ গ্রহণ করবেন কি না, তা নিয়ে শিক্ষামহলে আলোচনা চলছে। যারা এক বছর অপেক্ষা করতে আগ্রহী নন, তাদের জন্য স্ক্রুটিনি (PPS) ও রিভিউ (PPR)-এর পথও খোলা রাখা হয়েছে। ১৭ মে পর্যন্ত ‘তৎকাল’ পদ্ধতিতে এবং ২৮ মে পর্যন্ত সাধারণ নিয়মে অনলাইন আবেদনের সুযোগ থাকছে। মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতেই সংসদ এই নমনীয় ও আধুনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *