দেশবাসীর আশীর্বাদেই এক যুগ পার, দীর্ঘতম মেয়াদের রেকর্ড গড়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ ১২ বছর অর্থাৎ এক যুগ পূর্ণ করে দেশবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন নরেন্দ্র মোদী। টানা ৪ হাজার ৩৯৯ দিন ধরে প্রধানমন্ত্রী পদের দায়িত্ব সামলানোর অনন্য রেকর্ড গড়ে তিনি জানিয়েছেন, জনতা জনার্দনই তাঁর কাছে ঈশ্বরের রূপ। এনডিএ সাংসদদের এক বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় তিনি তাঁর এই দীর্ঘ রাজনৈতিক সফরের সাফল্যের পুরো কৃতিত্বই দেশের আমজনতার ওপর সঁপে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই ঐতিহাসিক যাত্রাপথে এনডিএ জোটের পক্ষ থেকে তাঁর নেতৃত্বকে সম্মান জানিয়ে একটি বিশেষ প্রস্তাবও আনা হয়েছে।
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দেশের অগ্রগতি
নিজের দীর্ঘ শাসনকাল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০১৪ সালের আগের এবং পরের ভারতের এক তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন। তাঁর মতে, ২০১৪ সালের আগে গত কয়েক দশক ধরে দেশজুড়ে এক প্রবল রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, যার কারণে জাতীয় স্তরে ভারতকে অনেক বড়সড় লোকসানের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে গত এক যুগে দেশের মানুষ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার আসল গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন। টানা এক যুগ একটি নির্দিষ্ট ও শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতায় থাকার ফলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে এবং দেশবাসী একটি স্থির সরকারের সুফল আজ স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছেন।
দীর্ঘতম শাসনের রাজনৈতিক প্রভাব
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটানা দীর্ঘতম সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী থাকার এই রেকর্ড দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। মোদীর এই বক্তব্য স্পষ্ট করে দেয় যে, আগামী দিনেও তাঁর সরকার উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক ধারাবাহিকতাকে হাতিয়ার করেই এগিয়ে যেতে চায়। ৪ হাজার ৩৯৯ দিনের এই দীর্ঘ মেয়াদে দেশের সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করা যেমন তাঁর বড় রাজনৈতিক সাফল্য, ঠিক তেমনই বিশ্বমঞ্চেও ভারতের এই রাজনৈতিক স্থায়িত্ব দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে আরও বেশি মজবুত ও নির্ভরযোগ্য করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।