ট্রাম্পের নয়া প্রস্তাবে কি থামবে যুদ্ধ, ইরানে কেন মুনির?

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধজট কাটাতে সক্রিয় পাকিস্তান, তেহরানে সেনা সর্বাধিনায়ক
যুদ্ধ পরিস্থিতির উত্তেজনা প্রশমনে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার চলমান অস্থিরতা নিরসনে ইসলামাবাদে আগের বৈঠকটি ব্যর্থ হলেও, দুপক্ষই দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। এই কূটনৈতিক তৎপরতাকে এগিয়ে নিতেই পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি বুধবার বিশেষ বিমানে তেহরান সফর করেছেন। সেখানে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হয়েছে, যা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের গুরুত্বকে আন্তর্জাতিক মহলে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। হোয়াইট হাউসও সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-আমেরিকা আলোচনার পথ সুগম করতে পাকিস্তানের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছে।
হরমুজ প্রণালী ঘিরে আশার আলো
বর্তমান আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কূটনৈতিক সূত্রের মতে, দ্বিতীয় দফার আলোচনার আগেই ইরান এই জলপথের একটি বড় অংশ উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। দীর্ঘসময় ধরে চলা এই সংকটে ইরানও যে ইতি টানতে ইচ্ছুক, তা এই পদক্ষেপের মাধ্যমে স্পষ্ট হতে পারে। তবে ওমানের নিকটবর্তী জলপথ থেকে মাইন অপসারণ এবং মার্কিন ও ইজরায়েলি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো এখনও আলোচনার অপেক্ষায় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আমেরিকার প্রধান শর্ত হিসেবে হরমুজের নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে দীর্ঘস্থায়ী কোনো রফাসূত্র বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এক ঝলকে
- ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার যুদ্ধজট কাটাতে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
- কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরান সফর করেছেন।
- আলোচনার প্রেক্ষাপটে ইরান হরমুজ প্রণালীর দখল ছেড়ে দিয়ে জাহাজ চলাচলের পথ সুগম করার ইঙ্গিত দিয়েছে।
- মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন।