ভোটের বাদ্যে জমজমাট প্রচার, ব্যান্ড-তাসা পার্টির পোয়াবারো!

নির্বাচনের মরশুমে ব্যান্ডপার্টিতে কাজের জোয়ার
চৈত্র মাসের মলমাসে সাধারণত সামাজিক উৎসব বা বিয়ের অনুষ্ঠান না থাকায় ব্যান্ডপার্টি ও তাসা দলের সদস্যরা চরম কর্মহীনতায় ভোগেন। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে এবার চিত্রটা সম্পূর্ণ বিপরীত। রাজনৈতিক দলের মিছিল, মিটিং ও জনসংযোগ কর্মসূচিতে ঢাক, ঢোল ও ব্যান্ডপার্টির চাহিদা তুঙ্গে ওঠায় অলস সময় কাটিয়ে আর্থিক উপার্জনের নতুন পথ খুঁজে পেয়েছেন এই শিল্পীরা।
চাহিদা তুঙ্গে ব্যান্ড ও তাসা দলের
নির্বাচনী প্রচারের ডামাডোলে ব্যান্ড মালিকদের দাবি, সারা বছরের তুলনায় এই সময়ে বাজনার চাহিদা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়। বহু ব্যান্ড শিল্পীকে দিনে একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে হচ্ছে। শাসক দল থেকে শুরু করে বিরোধী—প্রায় সব রাজনৈতিক শিবিরই তাদের প্রচারের প্রসারে ব্যান্ডপার্টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। শিল্পীরা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরের লোকসভা বা পঞ্চায়েত নির্বাচনের তুলনায় এবার কাজের চাপ অনেকটাই বেশি, যা চৈত্র সংক্রান্তির এই মন্দার বাজারে তাঁদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।
নির্বিঘ্নে প্রচার চালাতে রাজনৈতিক দলগুলোর এই বাদ্যযন্ত্রপ্রীতি ব্যান্ড শিল্পীদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উৎসবের আমেজ না থাকলেও ভোটের বাদ্যিতে সরগরম এখন প্রতিটি এলাকা। সুর ও তালকে সঙ্গী করে রাজনৈতিক প্রচারের এই মরশুমকে ঘিরে ব্যান্ডকর্মীদের ঘরে এখন রীতিমতো ‘পৌষমাস’ চলছে বলা যায়।
এক ঝলকে
- চৈত্র মাসের মলমাসে বিয়ের অনুষ্ঠান না থাকায় সাধারণত বেকার থাকেন ব্যান্ডপার্টির সদস্যরা।
- নির্বাচন উপলক্ষ্যে রাজনৈতিক প্রচারের মিছিলে বাজনার চাহিদা বাড়ায় শিল্পীদের আয় বেড়েছে।
- অনেক ব্যান্ড দল প্রতিদিন একাধিক রাজনৈতিক সভাতেও বাজাচ্ছেন।
- মূলত প্রচারের উত্তাপ বজায় রাখতেই রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে ব্যান্ডপার্টির গুরুত্ব বেড়েছে।