রূপকথার বিয়েতে করুণ পরিণতি: পরকীয়ার জেরে ‘সুন্দরী’ স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, সাক্ষী পেনড্রাইভে!

রূপকথার বিয়েতে করুণ পরিণতি: পরকীয়ার জেরে ‘সুন্দরী’ স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, সাক্ষী পেনড্রাইভে!

কর্ণাটকের দাভাঙ্গেরে জেলায় এক তরুণী গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি চাকুরিজীবী স্বামী মনু তার সুন্দরী স্ত্রী কাব্যকে ছেড়ে অন্য নারীর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন। গত ১৭ এপ্রিল কাব্যর নিথর দেহ উদ্ধার হওয়ার পর থেকেই নিঁখোজ ছিলেন তার স্বামী। পরিবারের অভিযোগ, মাদকাসক্তি এবং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে কাব্যকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

পেন ড্রাইভে লুকানো নির্মম সত্য

এই ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে একটি পেন ড্রাইভ, যেখানে কাব্য তার স্বামীর পরকীয়া এবং তার ওপর চলা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের যাবতীয় প্রমাণ সংগ্রহ করে রেখেছিলেন। মৃতার পরিবার জানিয়েছে, অভিযুক্ত মনু ডাক বিভাগে কর্মরত থাকা সত্ত্বেও যৌতুকের দাবিতে এবং পরকীয়া সম্পর্কের পথে কাঁটা সরাতে প্রায়ই কাব্যকে নির্যাতন করতেন। এই ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ এখন মামলার প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তদন্ত ও বর্তমান পরিস্থিতি

ঘটনার দিন কাব্যর মায়ের সাথে তার তীর্থযাত্রায় যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তার আগেই রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু ঘটে। পুলিশ অভিযুক্ত মনুকে আটক করেছে এবং তার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধক আইন ও হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করল যে, দাম্পত্য কলহ এবং নৈতিক অবক্ষয় কীভাবে একটি সাজানো সংসারকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

এক ঝলকে

  • কর্ণাটকের দাভাঙ্গেরে এলাকায় গৃহবধূ কাব্যর রহস্যজনক মৃত্যু।
  • অভিযুক্ত স্বামী মনু ডাক বিভাগের কর্মী এবং মাদকাসক্ত বলে অভিযোগ।
  • পেন ড্রাইভে সংরক্ষিত স্বামীর পরকীয়া ও নির্যাতনের প্রমাণ উদ্ধার।
  • যৌতুক ও খুনের মামলা রুজু করে অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *