“টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা!” লিয়েন্ডার ও বিজেপি নেতাদের ছবি ফাঁস করে বিস্ফোরক মহুয়া মৈত্র

“টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা!” লিয়েন্ডার ও বিজেপি নেতাদের ছবি ফাঁস করে বিস্ফোরক মহুয়া মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই বিস্ফোরক দাবি তুললেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর অভিযোগ, ভিন রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতারা কলকাতায় বসে নগদ অর্থ দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। বৃহস্পতিবার লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে বিজেপি নেতা সৌরভ সিং ও অধ্যাপক স্বদেশ সিংয়ের একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সরাসরি আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। মহুয়ার দাবি, নির্দিষ্ট হোটেলের গোপন ডেরা থেকে এই নেতারা ভোটারদের মধ্যে অবৈধভাবে কিছু বিলি করার পরিকল্পনা করছেন।

সতর্কবার্তা ও অবস্থান প্রকাশ

মহুয়া মৈত্র তাঁর পোস্টে দাবি করেছেন যে, ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিং এবং দিল্লির অধ্যাপক স্বদেশ সিং বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন। এমনকি তাঁদের বর্তমান হোটেল পরিবর্তন করে পরবর্তী গন্তব্যে যাওয়ার খবরও জনসমক্ষে এনেছেন সাংসদ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, এলগিন রোডের হোটেল ছেড়ে নভোটেলে যাওয়ার যে ছক তাঁরা কষছেন, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। মহুয়ার এই ‘হিট লিস্ট’ মন্তব্য এবং দুই নেতার ছবি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

ঘটনার প্রভাব ও রাজনৈতিক জলঘোলা

কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থীর এই অভিযোগের মূলে রয়েছে বাংলায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বহিরাগত প্রভাব খাটানোর অভিযোগ। মহুয়ার মতে, রাজ্য বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীনও এই নেতাদের রক্ষা করতে পারবেন না। তাঁর এই কঠোর অবস্থানের ফলে ভোটের ময়দানে বিজেপি ও তৃণমূলের স্নায়ুযুদ্ধ আরও চরমে পৌঁছেছে। যদিও মহুয়ার তোলা নগদ অর্থ বিলি বা ভয় দেখানোর অভিযোগ নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এক ঝলকে

  • দুই বিজেপি নেতার ছবি পোস্ট করে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুললেন মহুয়া মৈত্র।
  • লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে সৌরভ সিং ও স্বদেশ সিংয়ের ছবি প্রকাশ করে তাঁদের গতিবিধি ফাঁস।
  • ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে নগদ অর্থ ও সামগ্রী বিলির গুরুতর দাবি।
  • তৃণমূল সাংসদের হুঁশিয়ারি, বহিরাগত নেতাদের গতিবিধির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *