মার্কিন মহিলার ভয়াবহ অভিজ্ঞতা! মাদক খাইয়ে লালসা মেটাল যুবক, ৩ দিন ওয়াই-ফাই কেটে বন্দি করে রাখল হোমস্টে মালিক!

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের কোডাগু জেলায় এক মার্কিন পর্যটককে মাদক খাইয়ে ধর্ষণের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী নারী ওয়াশিংটনের বাসিন্দা, যিনি পর্যটক হিসেবে ভারতে এসে কোডাগুর কুত্তা গ্রামের একটি হোমস্টেতে উঠেছিলেন। অভিযুক্তরা তাকে পানীয়র সাথে মাদকদ্রব্য মিশিয়ে অচৈতন্য করে এই জঘন্য অপরাধ ঘটায় বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার সাথে জড়িত প্রধান অভিযুক্ত এবং হোমস্টে মালিককে গ্রেপ্তার করেছে।
তথ্য গোপনের চেষ্টা ও বন্দিত্ব
ঘটনাটি আরও গুরুতর রূপ নেয় যখন জানা যায়, অপরাধ ধামাচাপা দিতে হোমস্টে মালিক ভুক্তভোগীকে তিন দিন কার্যত বন্দি করে রেখেছিলেন। পুলিশের তথ্যমতে, ওই নারী যাতে বাইরের কারও সাথে যোগাযোগ করতে না পারেন বা সাহায্য চাইতে না পারেন, সেজন্য টানা তিন দিন তার ওয়াই-ফাই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল। নির্যাতিতা শেষ পর্যন্ত কৌশলে মাইসুরু যাওয়ার নাম করে সেখান থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন।
কূটনৈতিক তৎপরতা ও বিচার বিভাগীয় পদক্ষেপ
পালিয়ে আসার পর ওই নারী মার্কিন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে দিল্লির মার্কিন দূতাবাস ইমেলের মাধ্যমে ভারতীয় পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে। এরপরই নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। বর্তমানে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো বিষয়টি তদারকি করছে। গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে আগামী ৩ মে পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। এই ঘটনা পর্যটন এলাকায় নারী নিরাপত্তা ও হোমস্টে পরিচালনার নীতিমালা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
এক ঝলকে
- কর্ণাটকের কোডাগু জেলায় মার্কিন পর্যটককে মাদক খাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার।
- অপরাধ লুকাতে ভুক্তভোগীর ওয়াই-ফাই বিচ্ছিন্ন করে তাকে তিন দিন আটকে রাখা হয়।
- মার্কিন দূতাবাসের হস্তক্ষেপে বিষয়টি জানাজানি হয় এবং পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।
- ঘটনাটি কেন্দ্র ও রাজ্য পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নজরে রয়েছে এবং অভিযুক্তরা বর্তমানে কারাগারে।