জয়মালার পরেই বারবার বাথরুমে ছুটছিলেন বর, পিছু নিয়ে কনে যা দেখলেন তাতে থমকে গেল বিয়ে!

মহা ধুমধাম করে চলছিল বিয়ের আয়োজন। মঞ্চে জয়মালা বদলের সময় সব ঠিকই ছিল, কিন্তু বিপত্তি বাঁধল বরের রহস্যময় আচরণে। বারবার মঞ্চ ছেড়ে ওয়াশরুমে যাওয়ার বাহানা দিচ্ছিলেন বর। সন্দেহ হওয়ায় কনেপক্ষের লোকজন পিছু নিলে বেরিয়ে আসে আসল সত্য। দেখা যায়, বিয়ের মণ্ডপেই বন্ধুদের সাথে মিলে নেশার ওষুধ সেবন করছেন বর। এই ঘটনায় মুহূর্তেই বিয়ের আনন্দ বিষাদে রূপ নেয় এবং উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ।
নেশার গ্রাসে বিয়ের উৎসব
কনেপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, শুধু ওয়াশরুমে যাওয়াই নয়, জয়মালার প্রস্তুতির সময়ও বরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে দেখা যায় তিনি বন্ধুদের সাথে মঞ্চের আড়ালে লুকিয়ে নেশা করছেন। কনের মা জানান, বরকে সোনা ও নগদ অর্থসহ প্রচুর উপহার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাতপাক ঘোরার আগে বরের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং নেশাগ্রস্ত অবস্থা দেখে বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে কনেপক্ষ। পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন বরপক্ষ যৌতুক হিসেবে অতিরিক্ত ১০ লাখ টাকা দাবি করে এবং কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতিতে লিপ্ত হয়।
আইনি ব্যবস্থা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
এই অপ্রীতিকর ঘটনার পর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছে কনের পরিবার। বরের ভাই, বোন ও কাকা সহ বরযাত্রীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। কনেপক্ষ জানিয়েছে, ধারদেনা করে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এই বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল, যা এখন সম্পূর্ণ লোকসানের মুখে। বরের এমন আচরণ এবং মাদকাসক্তির কারণে বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন কনে ও তার মা। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
এক ঝলকে
- বিয়ের মণ্ডপে বারবার ওয়াশরুমে গিয়ে নেশা করায় ধরা পড়লেন বর।
- মাদক সেবন ও অতিরিক্ত ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে পণ্ড হলো বিয়ে।
- কনেপক্ষের দায়ের করা অভিযোগে বর ও তার আত্মীয়দের বিরুদ্ধে মামলা।
- কোনোভাবেই নেশাগ্রস্ত পাত্রকে বিয়ে না করার সিদ্ধান্তে অটল কনে।