২০৫০-এ আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ জানাবে ভারত! মোদীর জাদুতে মুগ্ধ ইউরোপ

২০৫০-এ আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ জানাবে ভারত! মোদীর জাদুতে মুগ্ধ ইউরোপ

নরওয়ের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব এবং দেশটির ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক উত্থান নিয়ে একটি বিশেষ বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা মোদী যদি আগামী দিনেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তবে তার পুনঃনির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্রপ্রধান উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণি থেকে আসলেও, মোদীর সাধারণ জীবনযুদ্ধ এবং রাজনৈতিক উত্থানকে আধুনিক বিশ্বে ‘অনন্য’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক শক্তি ও জলবায়ু নেতৃত্বে ভারতের উত্থান

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি, যার বার্ষিক বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ। বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতের অর্থনীতি চারগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং দেশটি যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। বিশেষ করে সৌর ও বায়ু শক্তি উৎপাদনে ভারতের সাফল্যের প্রশংসা করে বলা হয়েছে, ভারত এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম শক্তি। জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় পশ্চিমা নেতাদের ‘ত্যাগ’ করার বার্তার বদলে মোদী ভারতকে ‘সবুজ প্রবৃদ্ধি’র মাধ্যমে দারিদ্র্যমুক্ত করার যে পথ দেখাচ্ছেন, তা বিশ্বনেতাদের জন্য শিক্ষণীয় হতে পারে।

রাজনৈতিক আদর্শ ও গণতান্ত্রিক মডেলের সাফল্য

নিবন্ধটিতে ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যারা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ব্যাপক জনসমর্থন আদায় করতে সক্ষম হয়েছে। পশ্চিমা সমালোচকদের ধারণা ভুল প্রমাণ করে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, পূর্ববর্তী শাসনের তুলনায় বর্তমান ভারতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার হার অনেকাংশে কমেছে। এছাড়া, ভারতের গণতন্ত্রকে কোনো বিদেশি প্রভাব নয়, বরং দেশটির নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। নরওয়ে এবং পশ্চিমা দেশগুলোকে ভারতের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপনের পরামর্শ দিয়ে বলা হয়েছে, কেবল উপদেশ না দিয়ে ভারতের কথা শুনলে এবং সহযোগিতার হাত বাড়ালে উভয় পক্ষই লাভবান হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *