অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবার কৃষ্ণগঞ্জে আধুনিক হোল্ডিং সেন্টার, স্বস্তিতে সীমান্তবাসী!

অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবার কৃষ্ণগঞ্জে আধুনিক হোল্ডিং সেন্টার, স্বস্তিতে সীমান্তবাসী!

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশের সমস্যা রুখতে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য প্রশাসন। বিভিন্ন জেলার পর এবার নদীয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার ভীমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে গড়ে তোলা হয়েছে একটি আধুনিক হোল্ডিং সেন্টার। সীমান্তবর্তী স্পর্শকাতর এই এলাকায় প্রশাসনের এমন উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে। নদীয়া জেলায় এই প্রথম এমন কোনো কেন্দ্র তৈরি হওয়ায় বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে প্রশাসনিক মহল।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং দুষ্কৃতী তৎপরতার কারণে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে হতো। সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি এই হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে একজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে এই নবনির্মিত কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। মূলত রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং বৈধ নথিপত্রবিহীন সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সাময়িকভাবে রাখার জন্যই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পরিষেবার আধুনিকীকরণ ও প্রশাসনিক তৎপরতা

ভীমপুরের এই হোল্ডিং সেন্টারে যাতে মানবাধিকার লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখছে প্রশাসন। এখানে থাকা ব্যক্তিদের জন্য খাদ্য, পানীয় জল, শয্যা এবং প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের সুবন্দোবস্ত করা হয়েছে। রাজ্য সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়। তার ওপর এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর থেকে অবৈধভাবে বসবাসকারী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে প্রশাসন আরও বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে সীমান্ত এলাকায় অপরাধমূলক কাজকর্ম এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের গ্রাফ অনেকটাই নামবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে, নদীয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা দীর্ঘদিনের আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক ও নিরাপদ জীবনযাপনের সুযোগ পাবেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *