‘কোনো অন্যায় করিনি, তাই ভয় পাওয়ার প্রশ্নই নেই’: স্পষ্টবক্তা পিয়া সেনগুপ্ত

অন্যায়ের সঙ্গে আপস নয়, আত্মবিশ্বাসী টলিউড অভিনেত্রী পিয়া সেনগুপ্ত
একের পর এক আইনি জটিলতায় টলিপাড়ার অন্দরমহলে এখন চরম অস্বস্তি। বৃহস্পতিবার রাতে ফেডারেশন অব সিনে টেকনিশিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্কার্স অব ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার প্রাক্তন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেফতারি বিনোদন জগতে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। একের পর এক নামী ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে যখন তোলপাড় ইন্ডাস্ট্রি, ঠিক তখনই প্রশ্ন উঠছে প্রযোজকদের সংগঠন ইমপা-র সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তর নিরাপত্তা ও মানসিক অবস্থান নিয়ে।
নিজের অবস্থানে অনড় পিয়া
চলমান এই পরিস্থিতির প্রভাব নিজের ওপর পড়তে পারে কি না, তা নিয়ে সরাসরি মুখ খুলেছেন পিয়া সেনগুপ্ত। তিনি সাফ জানিয়েছেন, অন্যায় করলে ভয়ের কারণ থাকে, কিন্তু তিনি সেই পথে হাঁটেননি। স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেফতারির প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থানের বিষয়ে পিয়া বলেন, আমি কোনো অন্যায় করিনি, তাই ভয়ের কোনো অবকাশ নেই। স্বরূপদার বিষয়টি নিয়ে আমি মন্তব্য করতে পারব না, তবে নিজের কাজের বিষয়ে আমি শতভাগ নিশ্চিত। এমন কোনো পদক্ষেপ আমি নিইনি বা কোনো বিতর্কে আমি নেই, যার জন্য আইন আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে।
আইনি অস্থিরতার প্রভাব
টলিউডের অন্দরমহলে চলমান এই অস্থিরতার মূল কারণ হিসেবে অর্থনৈতিক অনিয়ম ও সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্বকে দায়ী করছেন পর্যবেক্ষকরা। একদিকে ফেডারেশনের সাবেক শীর্ষ নেতৃত্বের গ্রেফতারি, অন্যদিকে ইমপা-র মতো শক্তিশালী সংগঠনের শীর্ষ পদে আসীন থাকা ব্যক্তিদের ওপর বাড়তি চাপ—সব মিলিয়ে এক গভীর সংকটের দিকে এগোচ্ছে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্প। শিল্পীদের ব্যক্তিগত স্বচ্ছতা ও সংগঠনের কার্যপ্রণালী নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এর প্রভাব সরাসরি সিনেমার শুটিং ও সামগ্রিক প্রোডাকশনের ওপর পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আপাতত পিয়া সেনগুপ্তের এই স্পষ্ট বক্তব্য টলিপাড়ার চলমান জল্পনায় কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।