সাতসকালে আকস্মিক বজ্রপাত আর তীব্র বৃষ্টি বিপর্যয়, অস্বস্তির গরমে স্বস্তি মিলবে কবে!
.jpg?w=1200&resize=1200,800&ssl=1)
পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এখন আবহাওয়া নিয়ে চলছে জোর চর্চা। দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ— সর্বত্রই জনজীবন বিপর্যস্ত তীব্র গরম আর অস্বস্তিকর আবহাওয়ায়। এর মাঝেই আজ সাতসকালে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হঠাৎ শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত। তবে এই আকস্মিক বৃষ্টিপাত সাধারণ মানুষকে সাময়িক স্বস্তি দিলেও, দীর্ঘমেয়াদী স্বস্তি এনে দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে বাড়ল আর্দ্রতার যন্ত্রণা
গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, বাতাসে জলীয় বাষ্পের অত্যধিক উপস্থিতি এবং তাপমাত্রার পারদ চড়ে থাকার কারণে বায়ুমণ্ডলে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘের সঞ্চার হচ্ছে। ফলে সকালের দিকে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদ ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে। শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্রই এখন ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল দশা সাধারণ মানুষের। প্রাক-বর্ষার এই খামখেয়ালী বৃষ্টি স্থায়ী শীতলতা দিতে পারছে না।
জনজীবনে প্রভাব এবং বর্ষার অপেক্ষা
এই বৈরী আবহাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে। সকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাতের জেরে কর্মমুখী মানুষের যাতায়াতে যেমন বিঘ্ন ঘটছে, তেমনই দুপুরের দিকে অতিরিক্ত আর্দ্রতায় হিট স্ট্রোক বা অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে। রাজ্যবাসীর মনে এখন একটাই বড় জিজ্ঞাসা, কবে মিলবে এই দমবন্ধ করা পরিস্থিতি থেকে স্থায়ী রেহাই। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমী বায়ু বা বর্ষা পূর্ণাঙ্গভাবে সক্রিয় না হওয়া পর্যন্ত এই আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি ও বজ্রপাতের বিপর্যয় বজায় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।