চরম সংকটে তৃণমূল! আচমকা কেন দিল্লি ছুটলেন অভিষেক?

চরম সংকটে তৃণমূল! আচমকা কেন দিল্লি ছুটলেন অভিষেক?

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে এবার এক নজিরবিহীন ও গভীর সংকট তৈরি হয়েছে। দলের শীর্ষ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীদের মধ্যেকার বিরোধ এখন চরম সীমায় পৌঁছেছে। এই তীব্র ডামাডোল এবং জল্পনার মাঝেই আচমকা দিল্লি পৌঁছলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রকাশ্য রাজপথে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল

দিল্লির রাজনৈতিক অলিন্দে ঘটে যাওয়া একের পর এক বৈঠক এবং তার পরবর্তী ঘটনাক্রমের জেরে জোড়াফুল শিবিরের এই অন্তর্দ্বন্দ্ব এখন দেওয়াল ভেঙে প্রকাশ্য রাজপথে চলে এসেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, লোকসভাতেও দলের সংসদীয় দল ভেঙে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জোর জল্পনা শুরু হয়েছে যে বেশ কয়েকজন সাংসদ দলের নির্দেশ অমান্য করে সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিতে পারেন।

বিদ্রোহী শিবিরে ৬০ জন বিধায়ক!

শাসক শিবিরের একটি বড় অংশের বিধায়ক এবং সাংসদ ইতিমধ্যেই বর্তমান দলীয় নেতৃত্বের ওপর প্রকাশ্য ক্ষোভ উগরে দিতে শুরু করেছেন। বিভিন্ন সূত্রের চাঞ্চল্যকর দাবি, দলের প্রায় ৬০ জন বিধায়ক বর্তমানে ক্ষুব্ধ বা বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন।

অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে মরিয়া শীর্ষ নেতৃত্ব

এই অভূতপূর্ব পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং সংগঠনের রাশ শক্ত হাতে নিজেদের দখলে রাখতে মরিয়া ঘাসফুল শিবির। ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে ইতিমধ্যেই দলের বিভিন্ন শাখা সংগঠন এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলিকে তড়িঘড়ি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই চরম কঠিন সময়ে দাঁড়িয়ে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একে সরাসরি ‘অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং দলের এই গভীর সংকট কাটাতে সমস্ত স্তরের নেতা ও কর্মীদের একজোট থাকার কড়া বার্তা দিয়েছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *