কর্ণাটকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় খাড়গে ও পবন খেরা, ভোটের আগেই জয় নিশ্চিত কংগ্রেসের!

ভোটগ্রহণের প্রয়োজনই পড়ল না। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে নাটকীয় মোড় নিল কর্নাটকের রাজ্যসভা নির্বাচন। কোনও রকম ভোটাভুটি ছাড়াই দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্য থেকে সংসদের উচ্চকক্ষে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং দলের জাতীয় মুখপাত্র পবন খেরা। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা করা হয়েছে। কর্নাটকের শূন্য হওয়া চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে কংগ্রেস এবং একটি আসনে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
কীভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৫ জুন কর্নাটকের চার রাজ্যসভা সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এই তালিকায় মল্লিকার্জুন খাড়গে ছাড়াও ছিলেন জেডিএস সুপ্রিমো তথা দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া এবং বিজেপির দুই সাংসদ। আগামী ১৮ জুন কর্নাটক বিধানসভায় এই চার আসনের জন্য ভোটগ্রহণের কথা ছিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত মোট পাঁচ জন প্রার্থী মনোনয়ন পেশ করায় লড়াই অবধারিত ছিল। কিন্তু স্ক্রুটিনির সময় এক নির্দল প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল করে দেন নির্বাচনী আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার নাম প্রত্যাহারের শেষ দিনে চারটি আসনের বিপরীতে মাত্র চার জন প্রার্থীই ময়দানে থাকায় নিয়ম মেনে তাঁদের সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
সংসদে বিরোধীদের শক্তি বৃদ্ধি
কংগ্রেসের টিকিটে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে। তাঁর সঙ্গেই সংসদ ভবনে পা রাখছেন কংগ্রেসের হাইপ্রোফাইল মুখ পবন খেরা এবং মনসুর আলি খান। অন্যদিকে, একমাত্র বিজেপি প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন এম নাগরাজা। সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শোচনীয় ফলাফলের পরে দক্ষিণের এই রাজ্যে কংগ্রেসের তিন হেভিওয়েট নেতার রাজ্যসভায় যাওয়া হাত শিবিরের জন্য বড় স্বস্তি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিশেষ করে পবন খেরার মতো ক্ষুরধার বক্তা উচ্চকক্ষে যাওয়ায় সংসদের ভেতরে বিরোধীদের আক্রমণ আরও শানিত হবে বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।