২০২৭ থেকে টাইম ট্রাভেল! মানবজাতি কি তবে সত্যিই বিলুপ্তির পথে?

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম টিকটকে এক চাঞ্চল্যকর দাবি ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র রহস্য ও আলোড়ন। জেভিয়ার নামের এক ইউজার দাবি করেছেন, তিনি ২০২৭ সাল থেকে টাইম ট্রাভেল করে বর্তমানে ফিরে এসেছেন। তাঁর এই দাবিকে কেন্দ্র করে নেটদুনিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, যা মুহূর্তের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
দুনিয়ার শেষ বেঁচে থাকা মানুষ
জেভিয়ার নিজেকে পৃথিবীর একমাত্র জীবিত মানুষ বলে দাবি করেছেন। তিনি তাঁর অ্যাকাউন্টে বেশ কিছু ভিডিও পোস্ট করেছেন, যেখানে পিসার হেলে যাওয়া টাওয়ারসহ বিশ্বের বিভিন্ন বিখ্যাত স্থান, ফাঁকা ফুটবল স্টেডিয়াম, শুনশান সুপারমার্কেট এবং জনশূন্য রাস্তাঘাট দেখা যাচ্ছে। ভিডিওগুলোতে তিনি এবং তাঁর ক্যামেরা ছাড়া অন্য কোনো মানুষের বা প্রাণের অস্তিত্ব চোখে পড়েনি। এই ধরনের ভৌতিক ও শুনশান দৃশ্য দেখে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং কমেন্ট বক্সে জানতে চাইছেন কীভাবে এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। অন্যদিকে, নেটিজেনদের একটি বড় অংশ এটিকে নিছকই উন্নত প্রযুক্তির এডিটিং বা ফাঁকা সময়ে ধারণ করা ভিডিওর কারসাজি বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
বিজ্ঞান নাকি নিছকই ভাইরাল হওয়ার কৌশল?
বিজ্ঞানীদের মতে, টাইম ট্রাভেল বর্তমান বাস্তবতায় বৈজ্ঞানিকভাবে আসাম্ভব। এ ধরনের দাবি সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া ভিউ বাড়ানোর, চমক তৈরি করার বা ফলোয়ার পাওয়ার একটি চাতুর্যপূর্ণ কৌশল মাত্র। তা সত্ত্বেও, এই কাল্পনিক ঘটনা মানুষকে নতুন করে গভীর চিন্তায় ফেলেছে। জলবায়ু পরিবর্তন, পারমাণবিক যুদ্ধ বা প্রাণঘাতী মহামারীর মতো ভয়াবহ বাস্তবতার কথা মাথায় রেখে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, মানবজাতির চরম বিপর্যয়ে সত্যিই এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে ডিজিটাল যুগে ভুয়া তথ্য ও চমকপ্রদ দাবি মানুষের মনে কতটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।