রেকর্ড ২৫ দিনেই রাজ্য জয়েন্টের ফলপ্রকাশ, মেধার শীর্ষে কলকাতার শাশ্বত

পরীক্ষার মাত্র ২৫ দিনের মাথায় প্রকাশিত হলো রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স (ডব্লিউবিজিইই) পরীক্ষার ফলাফল। সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে রেকর্ড সময়ের মধ্যে এই পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করল বোর্ড। এবারের রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্সে সাফল্যের শীর্ষে রয়েছেন কলকাতার শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়। সল্টলেকের নালন্দা অ্যাকাডেমির এই ছাত্র মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। চলতি মাসের শেষভাগ থেকেই সফল পরীক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।
মেধাতালিকায় জেলা ও কলকাতার টক্কর
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, প্রথম দশে কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিরও জয়জয়কার দেখা গেছে। মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন জোকার বিবেকানন্দ মিশন স্কুলের ছাত্র, বিষ্ণুপুরের সৌঋদ্ধ মণ্ডল। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন রানিগঞ্জের পূর্ব ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের উমঙ্গ ভুট। এর পরের স্থানগুলিতে যথাক্রমে রয়েছেন রাহুল কোনার (চতুর্থ), সর্বান ভট্টাচার্য (পঞ্চম), আরহা ভট্টাচার্য (ষষ্ঠ), সৃজন শুর (সপ্তম), মণীশ সেনাপতি (অষ্টম), সব্যসাচী লস্কর (নবম) এবং দেবজিৎ পাল (দশম)। রাজ্যের ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনোলজি, ফার্মাসি এবং আর্কিটেকচার কোর্সে স্নাতক স্তরে ভর্তির এই প্রবেশিকা পরীক্ষায় এবার মোট ৯২ হাজার ৭৩ জন মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছেন।
রেকর্ড গতি ও আধুনিকীকরণের প্রভাব
গত ২৪ মে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার ৮৫৬ জন আবেদনকারীর মধ্যে ৯৪ হাজার ৯০১ জন অংশ নিয়েছিলেন। ২৬৭টি কেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা ও কড়া নিয়মের মধ্য দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এবারের পরীক্ষার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল বাংলার বাইরে আসাম ও ত্রিপুরায় পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন এবং প্রথমবার মাল্টিপল ওএমআর শিট ব্যবস্থার প্রবর্তন। ওএমআর শিট মূল্যায়ন ও প্রভিশনাল অ্যানসার কি নিয়ে পরীক্ষার্থীদের চ্যালেঞ্জ নিষ্পত্তির পর দ্রুততম সময়ে চূড়ান্ত ফল প্রস্তুত করা সম্ভব হয়েছে। বোর্ডের এই আধুনিক ও প্রযুক্তিগত পদক্ষেপের ফলে সেশন জট এড়ানো এবং দ্রুত কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া শুরু করা সহজ হবে, যা রাজ্যের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সফল পরীক্ষার্থীরা বিকেল চারটে থেকে বোর্ডের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে নিজেদের র্যাঙ্ক কার্ড ডাউনলোড করতে পারছেন।