সাংবাদিক নিগ্রহে গুন্ডাদমন আইনের দাবি! মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন করে এসএফআইকে তীব্র আক্রমণ ঋতব্রতের

সাংবাদিক নিগ্রহে গুন্ডাদমন আইনের দাবি! মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন করে এসএফআইকে তীব্র আক্রমণ ঋতব্রতের

ধর্মতলায় নিট (NEET) আন্দোলনের নামে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপর হামলার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকদের মারধর ও নিগ্রহের তীব্র নিন্দা করে দোষীদের বিরুদ্ধে গুন্ডাদমন আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর এই অবস্থানকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন রাজনৈতিক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে এই পুরো ঘটনায় বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই এবং তাদের নেতৃত্বকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন তিনি।

গুন্ডাদমন আইনের জোরালো দাবি

সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানান যে, আইন আইনের পথেই চলা উচিত। তাঁর মতে, গত কালকের ঘটনার পর দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে গুন্ডাদমন আইন প্রণয়ন করা একান্ত আবশ্যক। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে এবং তাঁদের ক্যামেরায় ধারণ করা ছবি ও ভিডিওই অপরাধীদের চিহ্নিত করার জন্য যথেষ্ট। আন্দোলনের নামে কিছু মানুষ মূলত অশান্তি সৃষ্টি ও লুটপাট করতেই জমায়েত হয়েছিল বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

এসএফআই ও শমীক লাহিড়ীকে তীব্র খোঁচা

বাম ছাত্র সংগঠনের অতীত স্মৃতির কথা উল্লেখ করে ঋতব্রত বলেন, “আমি এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় নেতা ছিলাম, ওঁর চেয়েও বেশি দিন দায়িত্বে ছিলাম।” ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, সাংবাদিকরা যখন মার খাচ্ছিলেন, তখন আন্দোলনের শীর্ষনেতারা ঘটনাস্থল থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে শমীক লাহিড়ীর মুখে হাসি দেখে তিনি হতবাক হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের সমস্ত কৃতিত্ব এসএফআই নিতে চায়, কিন্তু গোলমাল বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তার দায় নিতে অস্বীকার করে।

সেবাশ্রয় ক্যাম্প ও অন্যান্য রাজনৈতিক প্রসঙ্গ

শুধু সাংবাদিক নিগ্রহই নয়, সেবাশ্রয় ক্যাম্প নিয়েও উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি তুলেছেন ঋতব্রত। এই ক্যাম্পের আড়ালে কালো টাকা সাদা করার কোনো চক্রান্ত চলছে কি না, কিংবা এর নেপথ্যে কাদের প্রভাব রয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য তদন্তকারী সংস্থাকে লিখিত অভিযোগ জানানো হবে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি, বিধানসভায় কুণাল ঘোষের বক্তব্য রাখা ও সময় পাওয়া নিয়ে চলা সাম্প্রতিক বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, বিধানসভায় বিধায়করা নিজেদের মতো করে বিষয়গুলি তুলে ধরছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *