সৌদির তেল শোধনাগারে ভয়ংকর হামলা! চুক্তির পরই বড়সড় ধাক্কা খেল ‘মুসলিম ন্যাটো’

ঢাকঢোল পিটিয়ে সম্প্রতি ‘মুসলিম ন্যাটো’ গঠন করেছিল সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, জোটভুক্ত দেশগুলোর যেকোনো একটিতে হামলা হলে বাকি দুই দেশ তাকে নিজেদের ওপর হামলা বলে গণ্য করবে। কিন্তু এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরের একদিন পার হতে না হতেই সৌদি আরবের জিজান অঞ্চলে অবস্থিত সৌদি আরামকোর এক তেল শোধনাগারে ভয়ংকর ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র সংগঠন হাউথি। হামলার জেরে তেল শোধনাগারটিতে আগুন ধরে গেলেও দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং সৌদির জ্বালানি মন্ত্রক জানিয়েছে যে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ইয়েমেনের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, ইয়েমেনের আকাশসীমায় সৌদি ড্রোনের অনুপ্রবেশের জবাব হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকেই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সদ্য গঠিত এই সামরিক জোটের কার্যকারিতা ও শক্তিমত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি লোহিত সাগরে চলা বিরোধ ও উত্তেজনার মাঝেই হাউথিদের এই ত্বরিত আক্রমণ বিশ্বমঞ্চে তিন দেশের এই নতুন প্রতিরক্ষামূলক সমঝোতাকে কঠিন পরীক্ষার মুখে দাঁড় করাল। চুক্তি কার্যকরের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এমন হামলার ঘটনা ঘটায় জোটের সক্ষমতা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।