দুর্নীতির হিসেব তো হবেই! আবাস যোজনা নিয়ে কী সাফ বার্তা দিলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ?

পঞ্চায়েত স্তরে দুর্নীতির তদন্ত আবশ্যিক হলেও সরকারের এই মুহূর্তের প্রধান লক্ষ্য প্রকৃত উপভোক্তাদের হাতে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। মঙ্গলবার কোলাঘাটে এক পর্যালোচনা বৈঠকে স্পষ্ট ভাষায় একথা জানান রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। আবাস যোজনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, যোগ্য না হয়েও যাঁরা বাড়ি পেয়েছেন, এমন প্রায় সাড়ে ১২ হাজার জনকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় এক হাজার জন টাকা ফেরতও দিয়েছেন। সমস্ত দুর্নীতির হিসাব হবে এবং বিশেষ অডিটের কাজও চলমান, তবে বঞ্চিত যোগ্যদের দ্রুত ঘর পাইয়ে দেওয়াই সরকারের শীর্ষ অগ্রাধিকার।
উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি ও আটকে থাকা ফান্ড ব্যবহার নিয়ে বৈঠকে বিশদে আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন ব্লকে থমকে থাকা কাজ এক-দুদিনের মধ্যে গতি পাবে বলে আশাবাদী মন্ত্রী। পাশাপাশি শৌচালয় নির্মাণে নতুন নিয়ম এনে জানানো হয়েছে, কাজ শুরুর আগেই মিলবে ৫০ শতাংশ অগ্রিম অর্থ এবং বাকি টাকা কাজ শেষের পর প্রদান করা হবে। প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপ ও নতুন নীতির ফলে গ্রামীণ উন্নয়নের কাজ আরও ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।