পাইলটের শরীরে মাদকের থাবা! ককপিটে এত বড় ঝুঁকি নিলেন কীভাবে?

পাইলটের শরীরে মাদকের থাবা! ককপিটে এত বড় ঝুঁকি নিলেন কীভাবে?

ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটের মারিজুয়ানা পজিটিভ ধরা পড়ার পর থেকেই বিমান চালনার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। চিকিৎসকদের মতে, ক্যানাবিসে থাকা টিএইচসি উপাদান মস্তিষ্কের মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি, শরীরের সমন্বয় এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে। বিমান বা ভারী যন্ত্র পরিচালনার মতো নিরাপত্তা-নির্ভর কাজে মুহূর্তের মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানানো অত্যন্ত জরুরি, যা এই ধরনের নেশার ফলে ব্যাহত হতে পারে। সবচেয়ে বড় বিপদ হলো, গাঁজা সেবনের পর ব্যক্তি নিজেকে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক মনে করলেও বাস্তবে তাঁর কর্মক্ষমতা ও বিচারবুদ্ধি অনেকটাই কমে যায়।

জরুরি পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়া বা পরিস্থিতি দ্রুত বুঝে ওঠার ক্ষমতা লোপ পাওয়ার মতো সমস্যা যেকোনো বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে অ্যালকোহলের সঙ্গে ক্যানাবিস ব্যবহার করলে এই ঝুঁকি আরও বহুগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া ধূমপান ছাড়াও খাবার বা পানীয়ের মাধ্যমে ক্যানাবিস গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়তে সময় লাগায় ঝুঁকি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে। সব মিলিয়ে ক্যানাবিসের এই ক্ষতিকর প্রভাবগুলোর কারণে নিরাপত্তা-নির্ভর পেশায় যুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ ধরনের অবহেলা যাত্রীদের জীবনের জন্য মারাত্মক হুমকি ডেকে আনতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *