‘ভিউ ও ফলোয়ার্সের লোভেই ভিডিয়ো প্রচার!’ গুরুগ্রামের বাইকার-কাণ্ডে অভিযুক্ত চালকের পাল্টা তোপ

‘ভিউ ও ফলোয়ার্সের লোভেই ভিডিয়ো প্রচার!’ গুরুগ্রামের বাইকার-কাণ্ডে অভিযুক্ত চালকের পাল্টা তোপ

গুরুগ্রামের গলফ কোর্স রোডে মহিলা বাইকার সিয়াকে গাড়িতে ধাক্কা মারার ঘটনায় এবার সামনে এলো নতুন বিতর্ক। মত্ত অবস্থায় ইচ্ছাকৃত ধাক্কা মারার অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়ে একে ‘নিছক দুর্ঘটনা’ বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত গাড়ি চালক কল্যাণ বনসল ও তাঁর আইনজীবী।

অভিযুক্ত ও আইনজীবীর বিস্ফোরক দাবি

  • ফলোয়ার্সের লোভ: অভিযুক্তের আইনজীবী অভিষেক চৌহানের স্পষ্ট দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধুই ভিউ এবং ফলোয়ার্স বাড়ানোর উদ্দেশ্যে পুরো ঘটনাটিকে অতিরঞ্জিত করে প্রচার করা হচ্ছে।
  • বেপরোয়া গতি ও স্টান্ট: আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সময়ে রাস্তায় ১৪০ থেকে ১৭০ কিলোমিটার গতিতে বাইক চালানো হচ্ছিল। ওই রাস্তা স্টান্ট বা রেসিংয়ের জন্য নয়।
  • অনভিপ্রেত দুর্ঘটনা: চালক কল্যাণের দাবি, বাইকাররা বারবার তাঁর গাড়ির সামনে এসে গতি কমিয়ে দিচ্ছিলেন। আচমকা সিয়া বাইকের দিক পরিবর্তন করতে গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি জানতেনই না যে বাইকটি কোনো মহিলা চালাচ্ছিলেন।

ঘটনার সূত্রপাত ও বাইকারের অভিযোগ গত রবিবার গুরুগ্রামের গলফ কোর্স রোডে বন্ধুদের সঙ্গে রাইডে বেরিয়েছিলেন সিয়া। তাঁর অভিযোগ, একটি সাদা গাড়ি পিছু নিয়ে দূরত্ব বজায় রাখার অনুরোধ সত্ত্বেও আচমকা ধাক্কা মারে। সেফটি গিয়ার থাকায় বড় দুর্ঘটনা না ঘটলেও সিয়ার হাতে-পায়ে আঘাত লাগে। পুরো বিষয়টি হেলমেট ক্যামেরায় রেকর্ড হওয়ার পর সেই ভিডিও নেটপাড়ায় প্রকাশ করেন তিনি।

পুলিশি তদন্তের বর্তমান স্থিতি

  • ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে গাড়ির নম্বর (HR30Y4949) দেখে পুলিশ মূল মালিক মনীশের খোঁজ পায়, যিনি বর্তমানে আসামে কর্মরত এক সেনাকর্মী।
  • মনীশ জানান, দুর্ঘটনার দু’দিন আগে তাঁর বন্ধু কল্যাণ গাড়িটি চেয়ে নিয়ে যান।
  • গুরুগ্রাম থানার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে। অভিযুক্ত কল্যাণ বনসল ভুল স্বীকার করলেও এখনও তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি; তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *